লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-22
ব্যবসায়িক দেনা-পাওনা বা ব্যক্তিগত ঋণের বিপরীতে প্রদত্ত ব্যাংক চেক একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় প্রত্যাখ্যাত হলে <strong>নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট অ্যাক্ট ১৮৮১ (NI Act)-এর ১৩৮ ধারায়</strong> মামলা দায়ের করা হয়। চেক বাউন্স সংক্রান্ত মামলায় কোটি কোটি টাকার লেনদেনে অনেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানার মুখে পড়েন। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই বিশ্লেষণে ১৩৮ ধারার জামিন যোগ্যতা, সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড ও চেকের টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানার আইনি বিধান তুলে ধরা হলো। কল করুন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।
কোনো ব্যক্তি আইনগত দায় বা ঋণ পরিশোধের জন্য অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্যাংক চেক প্রদান করার পর যদি ব্যাংক একাউন্টে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকার কারণে (Insufficient Funds) চেকটি ব্যাংক কর্তৃক ডিজঅনার স্লিপসহ ফেরত আসে, তখনই ১৮৮১ সালের এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার অধীন ফৌজদারি অপরাধ গঠিত হয়।
হ্যাঁ, ১৩৮ ধারার অপরাধ সম্পূর্ণ জামিনযোগ্য (Bailable Offence)। আদালত থেকে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (Warrant of Arrest) জারি হলে আসামি যদি উপযুক্ত আইনজীবীর মাধ্যমে বিজ্ঞ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত বা দায়রা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন, তবে আদালত সাধারণত জামিন মঞ্জুর করে থাকেন। তবে বারবার আদালতে অনুপস্থিত থাকলে জামিন বাতিল হতে পারে।
১৩৮ ধারার মামলায় ট্রায়াল কোর্ট যদি আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করে, তবে উচ্চ আদালতে আপিল করতে হলে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী চেকের মূল টাকার কমপক্ষে ৫০% (অর্ধেক) অর্থ সংশ্লিষ্ট আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হয়।
বাস্তবে অনেক সময় জামানত হিসেবে রাখা সিকিউরিটি চেক বা স্বাক্ষরিত ব্লাঙ্ক চেক অবৈধভাবে বেশি টাকা বসিয়ে মামলা দায়ের করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীর মাধ্যমে প্রমাণ করা যায় যে কোনো বৈধ দেনা ছিল না এবং চেকের লেনদেন অবৈধ উদ্দেশ্যে হয়েছিল।
৪০৬/৪২০ ধারার সাধারণ প্রতারণা মামলায় শুধু শাস্তি হয় কিন্তু সরাসরি টাকা আদায়ের বাধ্যবাধকতা থাকে না। অন্যদিকে ১৩৮ ধারায় অর্থ আদায়ের স্পষ্ট বিধান থাকায় অর্থ উদ্ধারের জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকরী আইনি হাতিয়ার।
চেক ডিজঅনার নোটিশ ড্রাফটিং বা মামলার শক্তিশালী আইনি প্রতিরক্ষার জন্য সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র ক্রিমিনাল আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর চেম্বার সহায়তা নিন। ফোন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।