লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22 · ১২ মিনিট পড়ুন
বাংলাদেশে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তার এবং ১৬৭ ধারায় পুলিশি রিমান্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক ও জনমনে আতঙ্ক রয়েছে। সাধারণ মানুষকে অহেতুক সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় আটকে রাখা বা রিমান্ডে নির্যাতন করা প্রতিরোধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক <strong>ব্লাস্ট বনাম বাংলাদেশ (BLAST vs Bangladesh)</strong> মামলায় ১৫ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের আইনি সীমা, রিমান্ডে আইনজীবী ও চিকিৎসকের উপস্থিতি এবং আসামির মৌলিক অধিকারসমূহ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) এর ৫৪ ধারা পুলিশকে ওয়ারেন্ট বা পরোয়ানা ছাড়াই ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা দেয় (যেমন: আমলযোগ্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকা, চোরাই মালসহ ধরা পড়া, ফেরারি আসামি হওয়া ইত্যাদি)।
তবে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ বা তথ্য ছাড়া কেবল ব্যক্তিগত সন্দেহে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা বেআইনি।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ BLAST vs Bangladesh মামলার রায়ে ৫৪ ধারা ও ১৬৭ ধারার অপব্যবহার রুখতে পুলিশের জন্য নিম্নের নির্দেশনাগুলো বাধ্যতামূলক করেছেন:
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
পুলিশ চাইলেই মেজিস্ট্রেট রিমান্ড মঞ্জুর করতে পারেন না। পুলিশকে নির্দিষ্ট কারণ দেখাতে হয় কেন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ যথেষ্ট নয়। আসামি যদি অসুস্থ হন বা অপরাধের সাথে যুক্ততার প্রাথমিক কোনো প্রমাণ না থাকে, তবে আইনজীবী রিমান্ডের ঘোর বিরোধিতা করে জামিনের আবেদন জানাতে পারেন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।
হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে শারীরিক নির্যাতন করা জামিনঅযোগ্য অপরাধ। ভুক্তভোগী দায়রা আদালতে পুলিশের বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা দায়ের করতে পারেন।
হ্যাঁ। নির্দিষ্ট কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকলে ৫৪ ধারায় চালান হওয়া আসামির ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকেই দ্রুত জামিন পাওয়ার সুযোগ থাকে।