লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী বা পারিবারিক শত্রুতার কারণে অনেকের বিরুদ্ধে ভুয়া বা সাজানো এফআইআর (FIR) ও মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারে এই আশঙ্কায় আসামি না পালিয়ে থেকেই সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে গিয়ে যে জামিনের আবেদন জানান, তাকেই আইনি ভাষায় <strong>'অগ্রিম জামিন' বা Anticipatory Bail</strong> বলা হয়। ২০২৬ সালের হাইকোর্ট বেঞ্চের রুলস ও আপিল বিভাগের নজির অনুযায়ী অগ্রিম জামিন পাওয়ার আইনি শর্তাবলী, শুনানির প্রক্রিয়া ও জামিনের মেয়াদ নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) এর ৪৯৮ ধারা এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ (জীবনের অধিকার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে আশঙ্কা করেন যে তিনি কোনো জামিনঅযোগ্য অপরাধের মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেপ্তার হতে পারেন, তবে তিনি গ্রেপ্তারের পূর্বেই আদালত থেকে যে জামিন পান তাকে অগ্রিম জামিন (Anticipatory Bail) বলা হয়।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো অন্যায্য পুলিশি গ্রেপ্তার থেকে নির্দোষ নাগরিকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষা করা।
বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় অগ্রিম জামিন দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) এবং ক্ষেত্রবিশেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতকে দেওয়া হয়েছে।
তবে বাস্তব চর্চায় ৯৯% অগ্রিম জামিনের আবেদন সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি রিভিশন/মিস বেঞ্চে ফাইল করা হয়।
আপিল বিভাগের নির্দেশিকা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে অগ্রিম জামিন পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী থাকতে হয়:
হাইকোর্ট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত অগ্রিম জামিন সাধারণত স্থায়ী জামিন নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।