লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-16
ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশে অর্থঋণ আদালতে মামলা হয়। অর্থঋণ আদালত আইন ২০০৩-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত এই বিশেষায়িত আদালতে হাজার হাজার কোটি টাকার মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
অর্থঋণ আদালত হল অর্থঋণ আদালত আইন ২০০৩-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষায়িত দেওয়ানি আদালত, যা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায়ের মামলা পরিচালনার জন্য তৈরি। সাধারণ দেওয়ানি আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে এই আদালত দ্রুত বিচারের সুযোগ দেয়।
অর্থঋণ আদালতে সমন পেলে অবিলম্বে একজন দেওয়ানি আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
অর্থঋণ আদালতের মামলা ডিক্রি পর্যন্ত প্রক্রিয়া:
ঋণগ্রহীতার বৈধ প্রতিরক্ষার সুযোগ রয়েছে — তবে লিখিত জবাবে তা তুলে ধরতে হবে:
অর্থঋণ আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে হাই কোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়। তবে আপিলকারীকে ডিক্রিকৃত অর্থের ৫০% জমা দিয়ে আপিল করতে হতে পারে। বিশেষ পরিস্থিতিতে এই শর্ত মওকুফের আবেদন করা যায়।
অ্যাডভোকেট শাহ আলম অর্থঋণ আদালত এবং হাই কোর্টে উভয় প্রকার মামলায় প্রতিনিধিত্ব করেন। জরুরি মামলায় যোগাযোগ করুন।