লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-25
পিতার মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিতে মুসলিম ফারায়েজ আইন ও <strong>মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ (MFLO)-এর ৪ ধারা অনুযায়ী</strong> ওয়ারিশদের মধ্যে নির্দিষ্ট অনুপাতে সম্পত্তি ভাগ হয়। পবিত্র কুরআনের বিধান অনুযায়ী ছেলে মেয়ের দ্বিগুণ অংশ (২:১ অনুপাতে) লাভ করে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই নির্দেশিকায় বাবার সম্পত্তি বন্টনের গাণিতিক হিসাব ও আপস বাটোয়ারা দলিলের নিয়ম তুলে ধরা হলো। চেম্বার কল: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।
পিতার মৃত্যুর পর প্রথমে দাফন-কাফনের খরচ, ঋণ পরিশোধ এবং বৈধ উইল (সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ) নিষ্পত্তির পর অবশিষ্ট নিট সম্পত্তি বৈধ ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টন করতে হয়।
ধরা যাক, পিতা ১০০ শতক জমি রেখে মারা গেছেন এবং ওয়ারিশ হিসেবে স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে গেছেন:
পিতার কোনো পুত্রসন্তান না থাকলে শুধু ১ মেয়ে থাকলে তিনি পাবেন মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ এবং একাধিক মেয়ে থাকলে যৌথভাবে পাবেন ২/৩ অংশ। অবশিষ্ট অংশ মৃতের ভাই-ভাতিজা বা আসাবারা পাবেন (রদ্দ নীতির প্রয়োগ ছাড়া)।
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ৪ ধারা অনুযায়ী পিতা জীবিত থাকা অবস্থায় কোনো সন্তান মারা গেলেও তার এতিম নাতি-নাতনিরা তাদের মৃত পিতা/মাতার প্রাপ্য অংশ পুরোপুরি লাভ করবে।
ভাইয়েরা পৈতৃক ভিটা বা জমি বুঝিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানালে সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি বাটোয়ারা মামলা (Partition Suit) দায়ের করে নিজের অংশ সাহাম অনুযায়ী বুঝে নেওয়া যায়। পরামর্শের জন্য সরাসরি কল করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।