লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
পৈতৃক বা যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিরোধ তৈরি হয় ভাই-বোন বা শরিকদের মধ্যে। জমি বণ্টন নিয়ে সুনির্দিষ্ট আইনি দলিল না থাকলে পরবর্তীতে জমি কেনাবেচা বা নামজারি করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। শরিকরা সম্মত থাকলে 'আপস বাটোয়ারা দলিল' (Deed of Partition) রেজিস্ট্রি করা সবচেয়ে উত্তম সমাধান। আর শরিকরা একমত না হলে দেওয়ানি আদালতে 'বাটোয়ারা মামলা' (Partition Suit) দায়ের করতে হয়। বাটোয়ারা দলিলের খরচ, রেজিস্ট্রেশন ও আদালতের মামলার সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া নিচে তুলে ধরা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (Transfer of Property Act) এবং ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইন অনুযায়ী, যৌথ বা পৈতৃক সম্পত্তির সহ-শরিকরা (Co-sharers) যখন নিজেদের অংশ সুনির্দিষ্ট সীমানা চিহ্নিত করে মেপে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে রেজিস্ট্রি দলিল সম্পাদন করেন, তাকে আপস বাটোয়ারা দলিল (Deed of Partition) বলা হয়।
২০০৪ সালের রেজিস্ট্রেশন আইন সংশোধনের পর থেকে বাংলাদেশে জমি বণ্টননামা বা বাটোয়ারা দলিল রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সরকার আপস বাটোয়ারা দলিল উৎসাহিত করতে রেজিস্ট্রেশন ফি অনেক কম নির্ধারণ করেছে:
| সম্পত্তির মূল্যমান | সরকারি রেজিস্ট্রেশন ফি |
|---|---|
| ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত | ৫০-১০০ টাকা |
| ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত | ২০০-৫০০ টাকা |
| ১০ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত | ১,০০০-২,০০০ টাকা |
| ৫০ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে | ৩,০০০ টাকা (সর্বোচ্চ) |
নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ফি ও হলফনামা মিলিয়ে খুব অল্প খরচেই আপস বাটোয়ারা দলিল সাব-রেজিস্ট্রি করা যায়।
যদি কোনো ভাই বা শরিক বোনদের অংশ দিতে না চান বা জমি ভাগ করতে অস্বীকার করেন, তবে বঞ্চিত শরিক সহকারী জজ আদালতে বাটোয়ারা মামলা (Partition Suit) দায়ের করতে পারেন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।