লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
জমি বা সম্পত্তি ভাগ নিয়ে পরিবারে বিরোধ হলে দেওয়ানী আদালতে বাটোয়ারা মামলা (Partition Suit) দায়ের করতে হয়। কিন্তু কোর্ট ফি কত, আইনজীবীর খরচ কত, মামলা শেষ হতে কত বছর লাগে — এই তথ্যগুলো না জানলে মামলায় ঢুকতে ভয় লাগে। সব তথ্য বাংলায় বিস্তারিত দেওয়া হলো। পরামর্শ পেতে কল করুন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।
যখন সম্পত্তিতে একাধিক সহ-মালিক আছেন এবং তারা নিজেদের মধ্যে আপোসে সম্পত্তি ভাগ করতে পারছেন না, তখন দেওয়ানী আদালতে বাটোয়ারা মামলা (Partition Suit) দায়ের করা যায়।
কখন বাটোয়ারা মামলা করবেন:
বাংলাদেশে বাটোয়ারা মামলার কোর্ট ফি সম্পত্তির বাজার মূল্যের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত ফি কাঠামো নিম্নরূপ:
| সম্পত্তির মূল্য | আনুমানিক কোর্ট ফি |
|---|---|
| ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত | ৩০০ - ৫০০ টাকা |
| ১-৫ লক্ষ টাকা | ৫০০ - ২,০০০ টাকা |
| ৫-২০ লক্ষ টাকা | ২,০০০ - ৫,০০০ টাকা |
| ২০-৫০ লক্ষ টাকা | ৫,০০০ - ১৫,০০০ টাকা |
| ৫০ লক্ষ+ টাকা | ১৫,০০০ - ৫০,০০০ টাকা |
উল্লেখ্য: কোর্ট ফি সাথে প্রসেস ফি (সাক্ষী তলবের জন্য) আলাদাভাবে দিতে হয়।
বাটোয়ারা মামলায় আইনজীবীর ফি মামলার জটিলতা ও সম্পত্তির মূল্যের উপর নির্ভর করে:
| খরচের ধরন | আনুমানিক পরিমাণ |
|---|---|
| কোর্ট ফি | ৩০০ - ৫০,০০০ টাকা |
| আইনজীবী ফি (সম্পূর্ণ মামলা) | ২০,০০০ - ১,০০,০০০ টাকা |
| অ্যাডভোকেট কমিশনার | ৫,০০০ - ২০,০০০ টাকা |
| জরিপ ও মাপজোখ | ৩,০০০ - ১৫,০০০ টাকা |
| অন্যান্য (প্রসেস, নোটিশ ইত্যাদি) | ২,০০০ - ১০,০০০ টাকা |
| মোট আনুমানিক খরচ | ৩০,০০০ - ২,০০,০০০ টাকা |
বাটোয়ারা মামলা সাধারণত দীর্ঘ সময় নেয়। মামলার ধাপ:
মামলার পরিবর্তে আপোস বাটোয়ারা দলিল করলে খরচ অনেক কম:
💡 পরামর্শ: সম্ভব হলে আপোসে বাটোয়ারা দলিল করুন। এতে সময়, অর্থ ও পারিবারিক সম্পর্ক তিনটিই রক্ষা পায়।
বাটোয়ারা মামলা দায়ের, আপোস দলিল বা সম্পত্তি বণ্টন সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সহায়তা নিন।