ভাড়াটিয়া বাসা বা দোকান না ছাড়লে উচ্ছেদের দ্রুত আইনি উপায় ও বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে, ভাড়া বকেয়া পড়লে কিংবা বাড়িওয়ালার নিজের বসবাসের জন্য ব্যক্তিগত প্রয়োজন হলে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করার অধিকার বাড়িওয়ালার রয়েছে। কিন্তু ভাড়াটিয়া যদি গায়ের জোরে দোকান বা ফ্ল্যাট খালি করতে অস্বীকার করে, তবে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে <strong>সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ (Transfer of Property Act)-এর ১০৬ ধারা এবং বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১ অনুযায়ী আইনি নোটিশ ও দেওয়ানি উচ্ছেদ মামলা (Ejectment Suit)</strong> দায়ের করতে হয়। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a> নাম্বারে।

আইন অনুযায়ী ৩টি কারণে উচ্ছেদ করা যায়: (১) ভাড়া পরিশোধে খেলাপি হওয়া, (২) বাড়িওয়ালার যৌক্তিক ব্যক্তিগত প্রয়োজন, এবং (৩) সম্পত্তির ক্ষতিসাধন বা বেআইনি কাজে ব্যবহার।

মাসিক ভাড়ার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫ দিনের লিখিত উচ্ছেদ নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে প্রেরণ করতে হবে। নোটিশ ত্রুটিপূর্ণ হলে মামলা খারিজ হয়ে যেতে পারে।

সহকারী জজ আদালতে উচ্ছেদ মামলা দায়ের করতে হয়। আদালত ডিক্রি দিলে জারি মামলার মাধ্যমে নাজির পাঠিয়ে মালামাল বের করে দখল বুঝিয়ে দেন।

উচ্ছেদ মামলার পাশাপাশি বকেয়া ভাড়া আদায়ের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রার্থনা করা যায় যা আদালত দেনাদারের সম্পদ বা অগ্রিম জামানত থেকে কেটে পরিশোধের আদেশ দেন।

আইনি আদেশ ছাড়া জোর করে তালা দিলে ভাড়াটিয়া ফৌজদারি আদালতে বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। তাই সর্বদা আইনি পথে চলা আবশ্যক। পরামর্শে কল করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।