লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-10
<p>অনলাইন পেজ থেকে কেনাকাটা করে ত্রুটিপূর্ণ বা নকল পণ্য পেয়েছেন, অথবা পণ্যের গায়ে লেখা দামের চেয়ে বেশি রাখা হয়েছে আর বিক্রেতা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে? <strong>ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (DNCRP) অভিযোগ দায়ের করে বিক্রেতাকে জরিমানা ও সেই জরিমানার ২৫% অর্থ নিজে পুরস্কার হিসেবে পাওয়া যায়।</strong> বাণিজ্যিক আইন বিশেষজ্ঞ: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন (Consumer Rights Protection Act, 2009)-এর ৩৭ থেকে ৫০ ধারা পর্যন্ত ভোক্তা-বিরোধী যেসব কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায়:
| অপরাধের বিবরণ | আইনি ধারা | সর্বোচ্চ প্রশাসনিক জরিমানা |
|---|---|---|
| ধার্যকৃত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে বিক্রয় | ৪০ ধারা | সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা জরিমানা |
| ভেজাল বা নকল পণ্য বিক্রয় | ৪১ ও ৪২ ধারা | সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ টাকা জরিমানা বা জেল |
| মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বা ওষুধ বিক্রয় | ৫১ ধারা | সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা জরিমানা |
| মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাকে প্রতারণা | ৪৪ ধারা | সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ টাকা জরিমানা |
| ওজনে বা পরিমাপে কারচুপি করা | ৪৬ ও ৪৭ ধারা | সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা জরিমানা |
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৬০ ধারা অত্যন্ত কঠোর ও স্পর্শকাতর একটি বিধান:
তামাদির নিয়ম: পণ্য বা সেবা ক্রয়ের কারণ উদ্ভব হওয়ার বা প্রতারিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা জেলা কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করতে হবে। ৩০ দিন ১ মিনিটও পার হয়ে গেলে অধিদপ্তর উক্ত অভিযোগ গ্রহণ করার আইনি এখতিয়ার হারায়।
অভিযোগ পত্রে নিচের তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে:
অভিযোগ জমা হওয়ার পর অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক উভয়পক্ষকে শুনানির নোটিশ প্রদান করেন:
যদি কোনো পণ্যের ভেজাল বা চিকিৎসা সেবার মারাত্মক ত্রুটির কারণে ক্রেতার বড় ধরনের শারীরিক বা ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়, তবে ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রশাসনিক জরিমানার পাশাপাশি সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা (Suit for Damages) দায়ের করে লাখ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ভোক্তার মধ্যকার বড় অংকের বাণিজ্যিক বিরোধ, প্রতারণা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীর পরামর্শ নিন।