ব্যবসার পার্টনার প্রতারণা বা টাকা আত্মসাৎ করলে আইনি করণীয়: পার্টনারশিপ বিলুপ্তি ও ফৌজদারি মোকদ্দমা ২০২৬

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

যৌথ অংশীদারি ব্যবসা (Partnership Business) শুরু করার পর অনেক সময় দেখা যায় এক পার্টনার অন্য পার্টনারদের না জানিয়ে গোপনে ব্যাংকের টাকা সরিয়ে ফেলে, হিসাব বই দেখতে দেয় না বা কোম্পানির মূলধন আত্মসাৎ করে। এমন পরিস্থিতিতে <strong>দ্যা পার্টনারশিপ অ্যাক্ট ১৯৩২ (Partnership Act 1932)-এর আওতায় দেওয়ানি আদালতে “অংশীদারি কারবার বিলুপ্তি ও হিসাব আদায়ের মোকদ্দমা” (Suit for Dissolution of Partnership & Accounts)</strong> এবং ফৌজদারি আদালতে মামলা দায়ের করা যায়। সুপ্রিম কোর্টের কর্পোরেট ও বাণিজ্যিক আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত আইনি পরামর্শের জন্য কল করুন <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a> নাম্বারে।

আইনের ৯ ও ১০ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক অংশীদার ফার্মের লাভের হিসাব দিতে এবং সর্বজনীন সততা রক্ষা করতে বাধ্য।

যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করে ফার্মের যাবতীয় ভাউচার ও ইনভয়েস পরীক্ষার জন্য অ্যাডভোকেট রিসিভার নিয়োগ করানো যায়।

আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী পার্টনারের অসদাচরণ বা অন্যায্য আচরণের কারণে আদালত ফার্ম বিলুপ্তির চূড়ান্ত আদেশ দেন।

কোম্পানির সম্পদ আত্মসাতের দায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করিয়ে টাকা আদায় করা সম্ভব।

বাণিজ্যিক বিরোধ ও কর্পোরেট মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর চেম্বার সার্ভিস নিন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।