লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-01
<p>কেউ আপনাকে চেক দিয়েছিল, কিন্তু ব্যাংকে দিলে বাউন্স হয়ে গেছে? এখন কী করবেন? অনেকে ভাবেন শুধু ব্যাংক ম্যাটার — কিন্তু আসলে এটি ফৌজদারি অপরাধ। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে আপনার টাকা ফেরত পাওয়া কঠিন হবে। বিস্তারিত জানতে: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
হ্যাঁ, চেক বাউন্স বাংলাদেশে একটি ফৌজদারি অপরাধ। Negotiable Instruments Act (NI Act) ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় এটি সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।
💡 গুরুত্বপূর্ণ: ১৩৮ ধারায় মামলা করতে হলে চেকটি ঋণ বা দায় পরিশোধের জন্য দেওয়া হতে হবে — উপহার বা আমানত হিসেবে দেওয়া চেকে এই আইন প্রযোজ্য নয়।
চেক বাউন্স হওয়ার পর সময় নষ্ট করা ঠিক নয়। সঠিক সময়ে পদক্ষেপ না নিলে মামলার অধিকার হারাতে পারেন।
চেক বাউন্স হলে ব্যাংক একটি মেমো দেয়। এটি সংগ্রহ করুন — এটিই প্রধান প্রমাণ।
চেক বাউন্সের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে রেজিস্টার্ড ডাকে নোটিশ পাঠান।
নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে টাকা না দিলে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করুন।
১৩৮ ধারার মামলায় আসামির জামিন পাওয়া তুলনামূলক সহজ। তবে সাজা অনেক কঠিন হতে পারে।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| সাজা (কারাদণ্ড) | সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড |
| জরিমানা | চেকের পরিমাণের দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানা |
| উভয় শাস্তি | কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয় দেওয়া হতে পারে |
| জামিনের ধরন | জামিনযোগ্য অপরাধ — সহজে জামিন পাওয়া যায় |
চেক বাউন্সের ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নিন। অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম ব্যবসায়িক আইন ও চেক বাউন্স মামলায় অভিজ্ঞ।