লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-24
ব্যবসায়িক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত ধারের টাকা পরিশোধের জন্য চেক দেওয়া অত্যন্ত প্রচলিত মাধ্যম। তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যাক ড্রাফট বা পর্যাপ্ত টাকা না থাকার কারণে চেক ডিজনার (Cheque Dishonour/Bounce) হলে টাকা আদায় নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট (NI Act, 1881)-এর ১৩৮ ধারায় মামলা করে শতভাগ টাকা আদায় ও অপরাধীর সাজা নিশ্চিত করা যায়। চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত যেকোনো আইনি সহায়তার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর পরামর্শ নিন।
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান টাকা পরিশোধের জন্য চেকের পাতা স্বাক্ষর করে দিলে এবং গ্রাহক তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর ব্যাংক টাকা না দিয়ে ফেরত দিলে তাকে **চেক ডিজনার** বা চেক বাউন্স বলে।
ডিজনার হওয়ার প্রধান কারণসমূহ:
ব্যাংক যখন চেক ফেরত দেয়, তখন মেমোতে (Return Memo) ডিজনারের স্পষ্ট কারণ উল্লেখ থাকে। এটি মামলার প্রথম আইনি ভিত্তি।
এন আই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা অত্যন্ত কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। সামান্য একদিনের দেরি হলেও মামলা খারিজ হয়ে যেতে পারে।
আইনি সময়সূচি (Strict Timeline):
সঠিক সময়সীমা মেনে চলা ও আইনি নোটিশ জারির জন্য একজন অভিজ্ঞ কর্পোরেট ও অর্থ আইনজীবী নিয়োগ করা জরুরি।
১৩৮ ধারায় মামলা করার পূর্বশর্ত হলো দেনাদারকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে (Registered Post with AD) আইনি নোটিশ বা 'লিগ্যাল নোটিশ' পাঠানো।
আইনি নোটিশে যা থাকতে হবে:
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেও নোটিশ জারি করা যায় যদি দেনাদার ঠিকানা পরিবর্তন করে থাকে বা নোটিশ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
নোটিশের ৩০ দিন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM) বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) আদালতে মামলা দায়ের করতে হয়।
মামলার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
১৩৮ ধারায় আদালত মামলা শেষে আসামীর বিরুদ্ধে কঠোর সাজা ও আর্থিক জরিমানার নির্দেশ প্রদান করে থাকেন।
শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণ:
আসামীর সমন বা ওয়ারেন্ট জারি হলে তাকে আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে হয়। চেক ডিজনার মামলা জামিনযোগ্য (Bailable)।
আসামীর আইনি প্রতিরক্ষা (Defense Points):
এ ক্ষেত্রে দক্ষ ফৌজদারি আইনজীবীর মাধ্যমে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়।
টাকা লেনদেনের সময় যাতে কোনো আইনি জটিলতা তৈরি না হয়, সেজন্য কিছু সাধারণ টিপস মেনে চলুন:
অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম — বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী — ঢাকা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ও হাইকোর্টে চেক ডিজনার মামলায় পাওনা টাকা আদায়ে দীর্ঘদিনের সফলতা অর্জন করেছেন। আপনার পাওনা টাকা আদায়ে সরাসরি আইনি পরামর্শ নিন।
⚖️ পাওনা টাকা আদায়ের আইনি সহায়তার জন্য যোগাযোগ: আপনার ডিজনার হওয়া চেকের টাকা দ্রুত আদায়ে সুপ্রীম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সরাসরি আইনি সহায়তা পান। সরাসরি কথা বলতে যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।