লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-31
ব্যবসা-বাণিজ্য, ধারদেনা কিংবা যেকোনো আর্থিক লেনদেনের বিপরীতে প্রাপ্ত চেক ব্যাংক থেকে ডিজঅনার বা বাউন্স (Cheque Bounce) হলে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য বাংলাদেশে প্রচলিত "হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন ১৮৮১ (Negotiable Instruments Act, 1881)" এর ১৩৮ ধারা অত্যন্ত কার্যকরী আইনি পথ। সঠিক সময়সীমা (Limitation) রক্ষা করে আইনি নোটিশ পাঠানো ও মামলা করার নিয়ম নিচে ১,৪০০+ শব্দে আলোচনা করা হলো। প্রফেশনাল আইনজীবীর সহায়তায় কল দিন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।
ব্যাংকে চেক জমা দেওয়ার পর যদি অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকে (Insufficient Funds), চেকে উল্লেখিত মেয়াদের ব্যত্যয় ঘটে, কিংবা অ্যাকাউন্টের স্বাক্ষর না মেলে বা হিসাব বন্ধ থাকে—তবে ব্যাংক কর্মকর্তা চেকের সাথে একটি ডিজঅনার মেমো (Dis-honour Memo) যুক্ত করে ফেরত দেন। এই রসিদটিই মামলার প্রধান প্রাথমিক প্রমাণ।
এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী মামলা করার পূর্বে আসামিকে অবশ্যই আইনজীবীর মাধ্যমে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে লিগ্যাল নোটিশ (Legal Notice) পাঠাতে হবে।
নোটিশ পাঠানোর নিয়মাবলি:
নোটিশ পাওয়ার পর ৩০ দিন পার হয়ে গেলেও যদি আসামি টাকা পরিশোধ না করেন, তবে নোটিশের মেয়াদের পর পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মেটোপলিটন এলাকায় চিফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM) কিংবা জেলা পর্যায়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) আদালতে সরাসরি ফৌজদারি নালিশি বা সিআর মামলা (CR Case) ফাইল করতে হয়।
আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১৩৮ ধারা অনুযায়ী বিচারক আসামিকে ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকে উল্লেখিত টাকার সর্বোচ্চ ৩ গুণ পর্যন্ত জরিমানা প্রদান করে থাকেন। আদায়কৃত জরিপানার টাকা থেকে চেকে উল্লেখিত পরিমাণ বা তার বেশি টাকা সরাসরি পাওনাদারকে পরিশোধের রায় দেওয়া হয়।
লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো বা কোর্টে এনআই অ্যাক্টের মামলা পরিচালনায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম স্যারের সরাসরি সেবা পেতে কল করুন: