চেক ডিজঅনার হলে টাকা আদায় ও ১৩৮ ধারার মামলা

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-28

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত পাওনা টাকার বিনিময়ে নেওয়া চেক ব্যাংক থেকে ডিজঅনার (Dishonour/Bounce) হলে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন (Negotiable Instruments Act, 1881) এর ১৩৮ ধারায় মামলা করে চেকে উল্লেখিত টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত আদায় করা সম্ভব। সঠিক সময়সীমা ও আইনি ধাপ নিচে আলোচনা করা হলো। সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তার জন্য কল করুন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।

অ্যা কাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকা, স্বাক্ষর না মেলা বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকার কারণে ব্যাংক যখন চেক ফেরত দেয়, তাকে চেক ডিজঅনার বলা হয়। এটি পাওনা টাকা আদায়ের সবচেয়ে দ্রুততম ফৌজদারি আইনি প্রতিকার।

এনআই অ্যাক্টের মামলার সবচেয়ে জরুরি শর্ত হলো সময়সীমা (Limitation Period)। চেক ডিজঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক। নোটিশ ছাড়া মামলা গ্রহণযোগ্য হয় না।

লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পর আসামি যদি ৩০ দিনের মধ্যে টাকা না দেয়, তবে নোটিশের মেয়ার শেষ হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চিফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM) বা বিচারক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি সিআর (CR) মামলা দায়ের করতে হবে।

আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামির ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকে উল্লেখিত টাকার সর্বোচ্চ ৩ গুণ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

📞 চেক ডিজঅনার মামলার আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ

লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো বা চেক মামলায় আসামির জামিন ও সুরক্ষায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম স্যারের সরাসরি সহায়তা পান:

📱 কল করুন: 01712655546 📍 চেম্বার ঠিকানা