লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-02
ব্যবসায়িক লেনদেনে চেক ডিজঅনার একটি গুরুতর সমস্যা। বাংলাদেশের আলোচনা যোগ্য দলিল আইন ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারা চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার সুযোগ দেয় — একই সাথে দেওয়ানি আদায়ের পথও খোলা থাকে।
ব্যাংক নিম্নলিখিত কারণে চেক ফেরত দিতে পারে:
সকল কারণেই ১৩৮ ধারায় মামলা করা যায় তবে মূল কারণ হিসেবে অপর্যাপ্ত ব্যালেন্সের মামলা সবচেয়ে শক্তিশালী। একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী ব্যাংকের ফেরতের কারণ বিশ্লেষণ করে সর্বোত্তম পথ নির্ধারণ করবেন।
ধারা ১৩৮ অনুযায়ী চেক ডিজঅনার হলে প্রদানকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায়। শাস্তি: ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা চেকের পরিমাণের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়। মামলার শর্তগুলো:
নোটিশ দেওয়া চেক মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সঠিক নোটিশ না দিলে মামলা বাতিল হয়ে যেতে পারে।
নোটিশে থাকতে হবে:
নোটিশ রেজিস্টার্ড ডাক ও কুরিয়ার উভয়ে পাঠানো উচিত — পাঠানোর প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
নোটিশের পরেও পরিশোধ না পেলে ৩০ দিনের মধ্যে:
ফৌজদারি চাপের কারণে অধিকাংশ চেক মামলা আদালতে শুনানির আগেই আপোষে মিটে যায়।
ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি বা বিকল্প হিসেবে দেওয়ানি আদালতে অর্থ আদায়ের মামলা (Money Suit) করা যায়। এই মামলায় চেকের পরিমাণ, সুদ ও মামলার খরচ আদায়ের আদেশ পাওয়া যায়।
দেওয়ানি মামলায় আসামির সম্পদ (ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, জমি) ক্রোক করার আবেদনও করা যায় — এটি দ্রুত আদায়ে কার্যকর।
চেক মামলা শুরু হলে অনেক প্রদানকারী দ্রুত সমঝোতায় রাজি হন। আপোষে পাওয়ার সুযোগ থাকে:
সমঝোতা হলে আদালতে উভয় পক্ষের সম্মতিতে মামলা প্রত্যাহার করা যায়। অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম চেক মামলায় দ্রুত ও কার্যকর সমাধানের জন্য পরিচিত।
চেক দেওয়ার আগে সতর্কতা: