লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26
জমি ক্রয়-বিক্রয়ের রেজিস্ট্রি বায়না চুক্তি, ব্যবসায়িক সাপ্লাই এগ্রিমেন্ট বা নির্মাণ চুক্তি করার পর যদি কোনো পক্ষ চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে অস্বীকৃতি জানায় বা অগ্রিম টাকা আত্মসাৎ করে, তবে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে <strong>সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ (Specific Relief Act)-এর ১২ ধারা অনুযায়ী “চুক্তি প্রবল মোকদ্দমা” (Suit for Specific Performance of Contract)</strong> এবং পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ ধারায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. Shah Alam</a>-এর সাথে সরাসরি আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a> নাম্বারে।
রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ অনুযায়ী জমির বায়না চুক্তি বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রি হতে হয়। রেজিস্ট্রি বায়না থাকলে ক্রেতা পুরো অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা দিয়ে জমির মালিকানা দাবি করতে পারেন।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ বা অস্বীকৃতির তারিখ থেকে ১ (এক) বছরের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে।
আদালতের ডিক্রি অনুযায়ী বিবাদী হাজির না হলে বিচারক নিজে সাব-রেজিস্ট্রারের উপস্থিতিতে দলিল রেজিস্ট্রি করে বাদীকে দখল বুঝিয়ে দেন।
টাকা নিয়ে কাজ না করলে বা পালানোর চেষ্টা করলে পেনাল কোড ৪০৬ (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) ও ৪২০ ধারায় সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা যায়।
চুক্তি ড্রাফটিং ও মোকদ্দমায় অভিজ্ঞ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর চেম্বার যোগাযোগ: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।