চুক্তি ভঙ্গ করে টাকা বা জমি আত্মসাৎ করলে করণীয়: দেওয়ানি ও ফৌজদারি মোকদ্দমা ২০২৬
লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26 · ১৫ মিনিট
⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়।
সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।
জমি ক্রয়-বিক্রয়ের রেজিস্ট্রি বায়না চুক্তি, ব্যবসায়িক সাপ্লাই এগ্রিমেন্ট বা নির্মাণ চুক্তি করার পর যদি কোনো পক্ষ চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে অস্বীকৃতি জানায় বা অগ্রিম টাকা আত্মসাৎ করে, তবে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে <strong>সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ (Specific Relief Act)-এর ১২ ধারা অনুযায়ী “চুক্তি প্রবল মোকদ্দমা” (Suit for Specific Performance of Contract)</strong> এবং পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ ধারায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. Shah Alam</a>-এর সাথে সরাসরি আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a> নাম্বারে।
⚡ চুক্তি ভঙ্গ হলে ২টি প্রধান আইনি পথ
১. চুক্তি প্রবল মামলা (দেওয়ানি): আদালত বিক্রেতাকে জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন, বিক্রেতা রাজি না হলে আদালত নিজে সাব-রেজিস্ট্রারের মতো সাফ-কবলা দলিল সম্পাদন করে দেন।
২. ক্ষতিপূরণ ও অর্থ উদ্ধার: চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ক্ষতিপূরণসহ দ্বিগুণ বা সমপরিমাণ অর্থ আদায়ের অর্থ জারি মামলা।
৩. ফৌজদারি প্রতারণা মামলা: প্রতারণামূলক মনোভাব প্রমাণ করে পেনাল কোডের ৪২০ ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি।
১. বায়না চুক্তি (Baina Deed) ভঙ্গের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রতিকার
রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ অনুযায়ী জমির বায়না চুক্তি বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রি হতে হয়। রেজিস্ট্রি বায়না থাকলে ক্রেতা পুরো অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা দিয়ে জমির মালিকানা দাবি করতে পারেন।
২. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় ১ বছরের তামাদি সময়সীমা
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ বা অস্বীকৃতির তারিখ থেকে ১ (এক) বছরের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে।
৩. দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে জোরপূর্বক সাফ-কবলা দলিল রেজিস্ট্রি পাওয়ার উপায়
আদালতের ডিক্রি অনুযায়ী বিবাদী হাজির না হলে বিচারক নিজে সাব-রেজিস্ট্রারের উপস্থিতিতে দলিল রেজিস্ট্রি করে বাদীকে দখল বুঝিয়ে দেন।
⚖️ আইনি কেস মূল্যায়ন ও চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্ট
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
৪. ফৌজদারি আদালতে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণা মামলার ধারা ও শর্ত
টাকা নিয়ে কাজ না করলে বা পালানোর চেষ্টা করলে পেনাল কোড ৪০৬ (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) ও ৪২০ ধারায় সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা যায়।
৫. সুপ্রিম কোর্ট দেওয়ানি আইনজীবীর চেম্বার সেবা
চুক্তি ড্রাফটিং ও মোকদ্দমায় অভিজ্ঞ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর চেম্বার যোগাযোগ: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।
দায়বর্জন (Disclaimer): এই আর্টিকেলে পরিবেশিত তথ্যসমূহ কেবল আইনি সচেতনতা ও সাধারণ শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনো প্রত্যক্ষ আইনি পরামর্শ (Legal Advice) নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক (Attorney-Client Relationship) তৈরি হয় না। আপনার সুনির্দিষ্ট মামলার আইনি প্রতিকারের জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বা জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আইনি সহায়তা বা জরুরি পরামর্শের প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন এডভোকেট মোঃ শাহ আলম: +880 1712-655546 |
WhatsApp
উত্তরা চেম্বার: বাড়ি ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
কোর্ট চেম্বার: আইনজীবী সমিতি ভবন, ৪র্থ তলা, ৬/৭ কোর্ট হাউস স্ট্রিট, কোতোয়ালি, ঢাকা-১১০০