বাংলাদেশে চুক্তি লঙ্ঘন ও নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন মামলা

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-17

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

একটি বাধ্যতামূলক চুক্তি যখন এক পক্ষ পালন করতে অস্বীকার করেন, তখন আইন বিভিন্ন প্রতিকার দেয়। ডেভেলপার দলিল করতে অস্বীকার করছেন, সরবরাহকারী চুক্তি ভেঙে দিচ্ছেন বা ব্যবসায়িক অংশীদার চলে যাচ্ছেন — প্রতিটি পরিস্থিতিতে সঠিক প্রতিকার বেছে নেওয়া ফলাফল নির্ধারণ করে।

নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন: চুক্তি কার্যকর করা

নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বাংলাদেশে সম্পত্তি চুক্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রতিকার। স্পেসিফিক রিলিফ আইন ১৮৭৭ (ধারা ১২-৩০)-এর অধীনে আদালত পক্ষকে চুক্তি সম্পাদন করতে বাধ্য করতে পারে — যেমন, বিক্রয় দলিল সম্পাদন করার আদেশ।

নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন সাধারণত পাওয়া যায় যখন:

  • বিষয়বস্তু অনন্য — বিশেষত জমি, ভবন, যা অন্য কোথাও কিনে নেওয়া যাবে না।
  • অর্থ ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত।
  • বাদী তার অংশ পালনে প্রস্তুত ছিলেন।

ঢাকায় সম্পত্তি বিরোধে ডেভেলপার টাকা নিয়ে দলিল করতে অস্বীকার করলে এই মামলা সবচেয়ে কার্যকর। একজন দেওয়ানি আইনজীবীর সহায়তা নিন।

বাংলাদেশে চুক্তি লঙ্ঘনের মামলা দায়েরের পদ্ধতি

চুক্তি লঙ্ঘনের মামলার সাধারণ প্রক্রিয়া:

  1. আইনি নোটিশ: মামলার আগে লঙ্ঘনকারী পক্ষকে আনুষ্ঠানিক দাবিনামা পাঠান।
  2. সঠিক আদালত নির্বাচন: দাবির পরিমাণ অনুযায়ী সহকারী জজ আদালত থেকে জেলা জজ আদালত পর্যন্ত নির্ধারিত।
  3. আরজি দাখিল: চুক্তি, যোগাযোগ, লঙ্ঘনের প্রমাণ এবং বাদীর সার্বক্ষণিক প্রস্তুতির প্রমাণসহ।
  4. অন্তর্বর্তী আদেশের আবেদন: বিবাদী যেন মামলা চলাকালীন সম্পত্তি বিক্রয় করতে না পারেন।
  5. বিচার ও রায়।

তামাদি মেয়াদ: অধিকাংশ চুক্তি লঙ্ঘনের মামলা লঙ্ঘনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।