তালাকের খরচ বাংলাদেশ – কোর্ট ফি, উকিল ফি ও সম্পূর্ণ হিসাব

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-07

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

তালাক বা বিচ্ছেদ একটি কঠিন সিদ্ধান্ত, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে আগে থেকে জানা থাকলে মানসিক চাপ কিছুটা কমে। বাংলাদেশে তালাকের খরচ নির্ভর করে তালাকের ধরন, এলাকা এবং মামলার জটিলতার উপর। এই গাইডে আমরা ২০২৬ সালে বাংলাদেশে তালাকের সম্পূর্ণ খরচ বিস্তারিত আলোচনা করব।

বাংলাদেশে তালাকের প্রকারভেদ

বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী তালাক বা বৈবাহিক বিচ্ছেদ বিভিন্নভাবে হতে পারে। তালাকের ধরন অনুযায়ী খরচ ও প্রক্রিয়া আলাদা:

১. স্বামী কর্তৃক তালাক (Talaq)

স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারা অনুযায়ী:

  • লিখিতভাবে তালাকের নোটিশ দিতে হবে
  • স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/পৌর মেয়রকে অবহিত করতে হবে
  • নোটিশের কপি স্ত্রীকে পাঠাতে হবে
  • নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিনের মধ্যে সালিশি পরিষদ গঠন হবে
  • ৯০ দিন পার হলে তালাক কার্যকর হয়

২. খুলা তালাক (Khul)

স্ত্রী যদি বিবাহ বিচ্ছেদ চান, তাহলে খুলার মাধ্যমে স্বামীকে মহর (বা অংশ) ফেরত দিয়ে তালাক নিতে পারেন। স্বামীর সম্মতি প্রয়োজন।

৩. বিচারিক বিচ্ছেদ (Judicial Divorce)

স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা করে বিচ্ছেদ আদায় করতে পারেন। ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনে বিভিন্ন কারণ উল্লেখ আছে:

  • স্বামীর নিষ্ঠুর আচরণ
  • স্বামীর বহু বিবাহ ও অবিচার
  • স্বামীর নিখোঁজ থাকা (৪ বছর)
  • স্বামীর কারাদণ্ড (৭ বছর বা তার বেশি)
  • ভরণপোষণ না দেওয়া
  • পুরুষত্বহীনতা

৪. মুবারাত (Mubarat)

উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ। এটি সবচেয়ে কম ঝামেলার এবং খরচও তুলনামূলক কম।

তালাক কার্যকর করার আইনি প্রক্রিয়া

বাংলাদেশে তালাক কার্যকর করতে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ভুল প্রক্রিয়ায় তালাক আইনত অকার্যকর হতে পারে।

স্বামীর তালাকের ধাপ

  1. নোটিশ প্রদান: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/পৌর মেয়রকে লিখিত নোটিশ দিন।
  2. স্ত্রীকে নোটিশ: স্ত্রীর ঠিকানায় নোটিশের কপি রেজিস্ট্রি ডাকে পাঠান।
  3. সালিশি পরিষদ: ৩০ দিনের মধ্যে সালিশি পরিষদ গঠন হবে — স্বামী ও স্ত্রীর একজন করে প্রতিনিধি এবং চেয়ারম্যান।
  4. মিলন চেষ্টা: সালিশি পরিষদ মিলন সাধনের চেষ্টা করবে।
  5. তালাক কার্যকর: ৯০ দিন পার হলে তালাক কার্যকর হয়। এর মধ্যে মিলন না হলে।

স্ত্রীর আদালতে বিচ্ছেদ মামলার ধাপ

  1. আরজি দাখিল: পারিবারিক আদালতে মামলার আরজি জমা দিন।
  2. সমন জারি: স্বামীকে সমন পাঠানো হবে।
  3. শুনানি: উভয় পক্ষের শুনানি।
  4. মধ্যস্থতা: মধ্যস্থতার সুযোগ দেওয়া হবে।
  5. রায়: আদালত রায় দেবে।

তালাকের পর সম্পত্তি বন্টন সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন।

তালাকের কোর্ট ফি ও সরকারি খরচ

পারিবারিক আদালতে তালাক সংক্রান্ত মামলায় বিভিন্ন ধরনের কোর্ট ফি দিতে হয়।

কোর্ট ফির বিবরণ

মামলার ধরনআনুমানিক কোর্ট ফিবিবরণ
বিচারিক বিচ্ছেদ মামলা৫০০ - ২,০০০ টাকাআরজি দাখিল ফি
মহর আদায়ের মামলাদাবির পরিমাণের উপর নির্ভরশীলনির্দিষ্ট হারে কোর্ট ফি
ভরণপোষণ মামলা২০০ - ১,০০০ টাকাপারিবারিক আদালতে কম ফি
সন্তানের হেফাজত৫০০ - ২,০০০ টাকাপারিবারিক আদালত
প্রসেস ফি৫০ - ২০০ টাকা (প্রতি সমন)সমন জারির জন্য

পারিবারিক আদালতে ফি সুবিধা

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ অনুযায়ী পারিবারিক আদালতে কোর্ট ফি তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে, বিশেষত অভাবগ্রস্তদের জন্য। অনেক ক্ষেত্রে নিঃস্ব মহিলার জন্য বিনা ফিতে মামলা করার সুযোগ আছে।

ইউনিয়ন পরিষদে তালাক নোটিশ ফি

ইউনিয়ন পরিষদে তালাক নোটিশ দাখিলের জন্য সাধারণত ৫০-২০০ টাকা ফি নেওয়া হয়। সালিশি পরিষদ গঠনে আলাদা কোনো ফি নেই।

উকিলের ফি — ঢাকা ও জেলা শহর তুলনা

তালাক মামলায় সবচেয়ে বড় খরচ সাধারণত আইনজীবীর ফি। এই ফি মামলার জটিলতা, আইনজীবীর অভিজ্ঞতা এবং এলাকাভেদে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন হয়।

ঢাকা বনাম জেলা শহর তুলনা (২০২৬)

সেবাঢাকা (আনুমানিক)জেলা শহর (আনুমানিক)
প্রাথমিক পরামর্শ১,০০০ - ৫,০০০ টাকা৫০০ - ২,০০০ টাকা
সহজ তালাক (মুবারাত)১৫,০০০ - ৫০,০০০ টাকা৫,০০০ - ২০,০০০ টাকা
বিচারিক বিচ্ছেদ (মামলা)৩০,০০০ - ২,০০,০০০ টাকা১৫,০০০ - ৭৫,০০০ টাকা
খুলা তালাক২০,০০০ - ৮০,০০০ টাকা১০,০০০ - ৪০,০০০ টাকা
মহর আদায় মামলা২৫,০০০ - ১,৫০,০০০ টাকা১০,০০০ - ৫০,০০০ টাকা
সন্তানের হেফাজত মামলা৩০,০০০ - ২,০০,০০০ টাকা১০,০০০ - ৭৫,০০০ টাকা

মনে রাখবেন: এই পরিমাণ আনুমানিক এবং পরিবর্তনশীল। জটিল মামলায় আপিল পর্যায়ে খরচ আরও বেশি হতে পারে।

উকিলের ফি কমানোর উপায়

  • পারস্পরিক সমঝোতা: উভয় পক্ষ সম্মত হলে আদালতের বাইরে মীমাংসা খরচ কমায়।
  • মধ্যস্থতা: আদালতের মধ্যস্থতা সেবা বিনামূল্যে বা নামমাত্র ফিতে পাওয়া যায়।
  • লিগ্যাল এইড: আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল হলে সরকারি লিগ্যাল এইড সংস্থার সহায়তা নিন।

নিকাহ রেজিস্ট্রারের ফি

বাংলাদেশে মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য নিকাহ রেজিস্ট্রারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

তালাক নোটিশ ও নিবন্ধন ফি

সেবাআনুমানিক ফি
ইউনিয়ন পরিষদে তালাক নোটিশ দাখিল৫০ - ২০০ টাকা
তালাক নিবন্ধন সনদ২০০ - ৫০০ টাকা
বিবাহ নিবন্ধন সার্টিফিকেটের কপি১০০ - ৩০০ টাকা
কাবিননামার সত্যায়িত কপি১০০ - ৫০০ টাকা

তালাকের পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

তালাক কার্যকর হওয়ার পর নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংগ্রহ করুন:

  • তালাক নিবন্ধন সনদ (ইউনিয়ন পরিষদ থেকে)
  • আদালতের রায়ের কপি (বিচারিক বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে)
  • জাতীয় পরিচয়পত্র আপডেট
  • সন্তানের হেফাজত আদেশের কপি (যদি থাকে)

তালাকের সার্টিফিকেট কেন দরকার?

  • পুনরায় বিবাহের জন্য প্রমাণ হিসেবে
  • পাসপোর্ট বা NID সংশোধনের জন্য
  • বিদেশে তালাক স্বীকৃতির জন্য
  • সন্তানের অভিভাবকত্ব প্রমাণে

খুলা তালাকের খরচ

খুলা হলো স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে মহর (বা অন্য ক্ষতিপূরণ) ফেরত দিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ নেওয়া। এতে স্বামীর সম্মতি প্রয়োজন।

খুলার ক্ষেত্রে খরচের বিভাজন

  • মহর ফেরত দেওয়া: কাবিননামায় উল্লেখিত মহরের সব বা অংশ ফেরত দিতে হতে পারে।
  • স্বামীর দাবি পূরণ: স্বামী যদি মহরের বাইরে অন্য ক্ষতিপূরণ চান।
  • আইনজীবীর ফি: খুলার দলিল প্রস্তুত ও প্রক্রিয়ায় আইনজীবীর ফি।
  • নিবন্ধন ফি: খুলার চুক্তি নিবন্ধনের জন্য।

খুলার সুবিধা

  • আদালতে না গিয়ে দ্রুত বিচ্ছেদ সম্ভব (স্বামী সম্মত হলে)
  • সময় ও খরচ দুটোই কম
  • পারস্পরিক সমঝোতায় সন্তানের হেফাজত নির্ধারণ করা যায়

স্বামী সম্মত না হলে

স্বামী যদি খুলায় সম্মত না হন, তাহলে স্ত্রীকে পারিবারিক আদালতে বিচারিক বিচ্ছেদের মামলা করতে হবে। এটি দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।

পারস্পরিক সম্মতিতে বিচ্ছেদের খরচ

উভয় পক্ষ সম্মত হলে বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া অনেক সহজ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী হয়।

সম্মতিমূলক বিচ্ছেদের পদক্ষেপ

  1. মধ্যস্থতা: উভয় পক্ষ মধ্যস্থের সাহায্যে চুক্তিতে আসুন।
  2. চুক্তি প্রস্তুত: মহর, ভরণপোষণ, সন্তানের হেফাজত ও সম্পদ বন্টনের চুক্তি লিখুন।
  3. মুবারাত নোটিশ: ইউনিয়ন পরিষদে উভয় পক্ষের সম্মতিতে নোটিশ দিন।
  4. নিবন্ধন: চুক্তি নিবন্ধন করুন।

সম্মতিমূলক বিচ্ছেদের আনুমানিক মোট খরচ

খরচের ধরনঢাকায়জেলায়
আইনজীবীর ফি১৫,০০০ - ৫০,০০০ টাকা৫,০০০ - ২০,০০০ টাকা
কোর্ট/নোটিশ ফি৫০০ - ২,০০০ টাকা২০০ - ১,০০০ টাকা
নিবন্ধন ফি৫০০ - ২,০০০ টাকা২০০ - ১,০০০ টাকা
অন্যান্য১,০০০ - ৫,০০০ টাকা৫০০ - ২,০০০ টাকা
আনুমানিক মোট১৭,০০০ - ৫৯,০০০ টাকা৫,৯০০ - ২৪,০০০ টাকা

দ্রষ্টব্য: মহর ফেরত বা ভরণপোষণের পরিমাণ এর বাইরে।

মহর, ভরণপোষণ ও সন্তানের ব্যয়

তালাকের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক দিকগুলো সঠিকভাবে বোঝা প্রয়োজন:

দেনমোহর (Mahr)

  • তালাকের পর স্ত্রীর সম্পূর্ণ দেনমোহর পাওয়ার অধিকার আছে।
  • দেনমোহর পরিশোধ না করলে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।
  • আদালত দেনমোহর আদায়ে সহায়তা করে।

ইদ্দত কালীন ভরণপোষণ

তালাকের পর স্বামীকে স্ত্রীর ইদ্দতকাল (প্রায় ৩ মাস) পর্যন্ত ভরণপোষণ দিতে হবে। তালাকের ধরন অনুযায়ী ইদ্দত কাল পরিবর্তিত হয়।

সন্তানের ভরণপোষণ

বিষয়আইনি বিধান
সন্তানের হেফাজতছেলে ৭ বছর, মেয়ে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত মায়ের কাছে
সন্তানের ভরণপোষণবাবার দায়িত্ব (আয় অনুযায়ী)
শিক্ষা খরচবাবার দায়িত্ব
চিকিৎসা খরচবাবার দায়িত্ব

ভরণপোষণ না দিলে

স্বামী যদি ভরণপোষণ না দেন, তাহলে পারিবারিক আদালতে মামলা করে ভরণপোষণ আদায় করা যায়। আদালত স্বামীর আয় অনুযায়ী ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: তালাক কি SMS বা WhatsApp এ দেওয়া যায়?

উত্তর: না। বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী তালাকের নোটিশ লিখিতভাবে এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে দিতে হয়। SMS বা সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া তালাক আইনত বৈধ নয়।

প্রশ্ন ২: তালাক কতদিনে কার্যকর হয়?

উত্তর: নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয় (যদি ইতিমধ্যে মিলন না হয়)। বিচারিক বিচ্ছেদে আদালতের রায়ের পর কার্যকর হয়।

প্রশ্ন ৩: একজন অভাবী মহিলা কি বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাবেন?

উত্তর: হ্যাঁ। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিস (BLAS) এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK) আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল মহিলাদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেয়।

প্রশ্ন ৪: হিন্দু নারী কীভাবে তালাক দেবেন?

উত্তর: হিন্দু আইনে মুসলিম আইনের মতো তালাকের ব্যবস্থা নেই। হিন্দু নারী শুধু আদালতে বিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন। বিস্তারিত জানতে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

প্রশ্ন ৫: তালাকের পর NID বা পাসপোর্টে পরিবর্তন কীভাবে করবেন?

উত্তর: তালাকের সনদ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অফিসে NID সংশোধন করুন। পাসপোর্টের জন্য ইমিগ্রেশন অফিসে যান।

প্রশ্ন ৬: তালাকের পর সন্তানের নাম কার পরিচয়ে থাকবে?

উত্তর: বাবার নামেই সন্তানের পরিচয় থাকে। হেফাজত মায়ের কাছে থাকলেও সন্তান বাবার নামেই পরিচিত হবে।

কীভাবে আমরা সাহায্য করতে পারি

তালাক বা বৈবাহিক বিচ্ছেদ মানসিকভাবে কঠিন সময়। এই কঠিন সময়ে আইনি প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা এবং নিজের অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের অভিজ্ঞ পারিবারিক আইন বিশেষজ্ঞ টিম আপনার পাশে থাকবে।

আমাদের পারিবারিক আইন সেবা

  • ✅ তালাক ও খুলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
  • ✅ দেনমোহর আদায়ে আইনি সহায়তা
  • ✅ ভরণপোষণ মামলা পরিচালনা
  • ✅ সন্তানের হেফাজত ও দর্শনাধিকার নির্ধারণ
  • ✅ সম্পদ বন্টনের আইনি চুক্তি প্রস্তুত
  • ✅ মধ্যস্থতার মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি
  • ✅ পারিবারিক আদালতে আইনি প্রতিনিধিত্ব

আমরা বিশেষভাবে সহায়তা করি

  • নির্যাতিত ও অসহায় নারীদের
  • সন্তানের অধিকার আদায়ে উদ্বিগ্ন মা-বাবাদের
  • বিদেশ থেকে তালাক সংক্রান্ত ব্যবস্থা নিতে চাওয়াদের

আমাদের চেম্বার উত্তরা, ঢাকাতে অবস্থিত। প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। আজই যোগাযোগ করুন।

বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য এখানে ক্লিক করুন →

📍 ঠিকানা: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম, উত্তরা, ঢাকা, বাংলাদেশ
🌐 ওয়েবসাইট: advmdshahalam.me
🕐 অফিস সময়: শনি-বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা - বিকাল ৫টা
⚖️ বিশেষ সুবিধা: প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে