লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক সম্পন্ন হওয়ার পর স্ত্রী কতদিন খোরপোষ পাবেন? স্বামীর কাছ থেকে সন্তানের পড়ালেখা, বাসস্থান ও খাদ্যের খরচ আদায় করার আইনি নিয়ম কি? অনেক সময় স্বামী তালাক দেওয়ার পর স্ত্রী ও সন্তানের কোনো খোরপোষ না দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এবং পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩ অনুযায়ী ডিভোর্সের পর স্ত্রী ও সন্তানের খোরপোষের আইনি অধিকার, পরিমাণ নির্ধারণের নিয়ম এবং আদালত ডিক্রির উপায় নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
মুসলিম আইন অনুযায়ী তালাক কার্যকর হওয়ার পর স্ত্রী অনন্তকালের জন্য খোরপোষ পান না। স্ত্রী তালাক পরবর্তী ইদ্দতকাল (Iddat Period) পর্যন্ত স্বামীর কাছ থেকে খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসা বাবদ পূর্ণ খোরপোষ পাওয়ার অধিকারী।
ইদ্দতকাল হলো তালাক কার্যকরের পর থেকে ৩ ঋতুস্রাবকাল (৩ মাস ১০ দিন)। স্ত্রী যদি গর্ভবতী হন, তবে সন্তান ভূমিষ্ঠ না হওয়া পর্যন্ত স্বামী স্ত্রীর পূর্ণ খোরপোষ দিতে আইনত বাধ্য।
স্ত্রীকে তালাক দিলেও পিতা তার সন্তানদের খোরপোষ দেওয়া থেকে কখনই অব্যাহতি পান না। কাস্টডি (হিজানাত) মায়ের কাছে থাকুক বা যার কাছেই থাকুক, সন্তানদের ভরণপোষণ দেওয়া পিতার একক আইনি দায়িত্ব।
পারিবারিক আদালত স্বামীর সামাজিক মর্যাদা, চাকরি/ব্যবসার আয় এবং জীবনযাত্রার মানের ওপর ভিত্তি করে যৌক্তিক খোরপোষ নির্ধারণ করেন। সাধারণত স্বামীর মোট নিট আয়ের ২০% থেকে ৩৩% পর্যন্ত স্ত্রী ও সন্তানদের খোরপোষ হিসেবে আদালত ধার্য করতে পারেন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।