লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-02
পারিবারিক সহিংসতা একটি গুরুতর অপরাধ — ঘরের মধ্যে ঘটলেও এটি আইনের বাইরে নয়। বাংলাদেশে পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ নির্যাতিত নারীকে শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা দেয়। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
আইনের আওতায় পারিবারিক সহিংসতার মধ্যে রয়েছে:
শুধু স্বামী নয় — পরিবারের যেকোনো সদস্য (শ্বশুর-শাশুড়ি, দেবর, ননদ) দ্বারা নির্যাতন হলেও আইনি সুরক্ষা পাওয়া যায়।
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ এর মূল বৈশিষ্ট্য:
সুরক্ষা আদেশের মাধ্যমে আদালত নির্যাতনকারীকে নির্দেশ দিতে পারেন:
এই আদেশ লঙ্ঘন করলে নির্যাতনকারীকে গ্রেফতার করা যায়। একজন পারিবারিক আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে এই আদেশ পেতে সহায়তা করতে পারেন।
আদালত বাসস্থান আদেশের মাধ্যমে নির্যাতনকারীকে বাড়ি থেকে বের করতে বা আবেদনকারীকে বাড়িতে থাকার অধিকার দিতে পারেন — এমনকি বাড়িটি স্বামীর নামে থাকলেও।
নির্যাতনের কারণে বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হলে নিকটস্থ পুলিশ স্টেশন বা ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে আশ্রয় নেওয়া যায়।
পারিবারিক সহিংসতার শিকার হলে:
অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম — ঢাকা ও উত্তরার পারিবারিক আইনজীবী — পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীদের জরুরি আইনি সহায়তা প্রদান করেন।
পারিবারিক সহিংসতার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) অনুযায়ী ফৌজদারি মামলাও করা যায়:
গুরুত্বপূর্ণ: নির্যাতনের শারীরিক প্রমাণ (চিকিৎসকের সার্টিফিকেট, ছবি) যত দ্রুত সম্ভব সংগ্রহ করুন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।