লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (২০০০, সংশোধিত ২০০৩) এবং যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ অত্যন্ত কঠোর। তবে দাম্পত্য বিরোধে বা শত্রুতা থেকে এর অপব্যবহারের শিকার হলে সঠিক আইনি প্রস্তুতি নেওয়া আবশ্যক। এই গাইডে মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচার ১০+ টি কার্যকর কৌশল তুলে ধরা হলো। যেকোনো জরুরি সহায়তায় <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশে নারী সুরক্ষা আইনে কড়া বিধান থাকায় পারিবারিক কলহ বা অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে অনেক সময় নির্দোষ স্বামী বা তার পরিবারকে আসামি করে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। উচ্চ আদালত এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং মিথ্যা প্রমাণ হলে বাদীর শাস্তির বিধান প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছে।
অবাস্তব তারিখে ঘটনার উল্লেখ, শ্বশুরবাড়ির সকল সদস্যকে আসামি করা এবং আগের কোনো জিডি না থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ নারী নির্যাতনের বড় মামলা দেওয়া মিথ্যা মামলার অন্যতম লক্ষণ।
| সময়কাল | কাজ | ফলাফল |
|---|---|---|
| ১ম-২য় দিন | এজাহার/পিটিশনের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ | অভিযোগ জানা |
| ৩য়-৪র্থ দিন | হাইকোর্টের আইনজীবীর সাথে পরামর্শ | পিটিশন ড্রাফট |
| ৫ম-৭ম দিন | হাইকোর্টে আগাম জামিনের শুনানি | গ্রেফতার এড়ানো |
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করে নির্দিষ্ট মেয়াদের (সাধারণত ৪-৮ সপ্তাহ) আগাম জামিন নেওয়া যায়। ফলে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে না।
মামলার কোনো আইনগত ভিত্তি না থাকলে Section 561A CrPC অনুযায়ী হাইকোর্টে মামলা বাতিলের রিট ফাইল করে বিচার কার্যক্রম স্থগিত করা যায়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।
অফিস ডিউটি রোস্টার, পাসপোর্ট সিল বা হাসপাতাল রিলিজ পেপার জমা দিয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি নেওয়া দ্রুত সম্ভব।
উত্তর: চার্জ শুনানিতে অব্যাহতি পেলে ২-৬ মাসের মধ্যে মুক্তি মিলে। ক্বোয়াশমেন্ট হলে ১ বছরের মধ্যে মামলা শেষ হতে পারে।
ফৌজদারি ও পারিবারিক মামলায় আমাদের চেম্বার সবসময় আপনার পাশে আছে। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।