লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী প্রথম স্ত্রীর অনুমতি এবং সালিশি পরিষদের অনুমোদন ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই আর্টিকেলে ১০+ আইনি পরিণতি ও প্রথম স্ত্রীর অধিকার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অভিজ্ঞতায় <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৬ ধারা অনুযায়ী সালিশি পরিষদের পূর্বানুমতি ছাড়া পুনরায় বিবাহ চুক্তি সম্পন্ন করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
স্বামীকে ইউপি চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলরের নিকট নির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে আবেদন পেশ করতে হয়। চেয়ারম্যান উভয় পক্ষ নিয়ে সালিশি বৈঠক করবেন।
অনুমতি না থাকলে প্রথম স্ত্রী বিলম্বিত (Deferred) দেনমোহরও এককালীন দাবি করতে পারবেন।
পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করে বিয়ের ওপর স্থগিতাদেশ বা খোরপোষ জারির আদেশ নেওয়া যায়।
কাজী অনুমতিপত্র ছাড়া বিয়ে রেজিস্ট্রি করলে তার কাজি লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
দ্বিতীয় বিয়ের সন্তানরাও কিন্তু পিতার উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।
স্ত্রীর শারীরিক অক্ষমতা বা অনুমতিপত্র থাকলে স্বামী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেন।
উত্তর: দেনমোহর পরিশোধ না করলে আদালত কঠিন পদক্ষেপ নিতে পারেন।
পারিবারিক বিচার সংক্রান্ত সহায়তায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।