প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ের শাস্তি ও আইনি নিয়ম ২০২৬: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৬ ধারা

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী কোনো পুরুষ প্রথম স্ত্রী বর্তমান থাকা অবস্থায় তার পূর্বানুমতি এবং সংশ্লিষ্ট <strong>সালিশি পরিষদের (Arbitration Council) চেয়ারম্যানের লিখিত অনুমোদন ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারেন না</strong>। <strong>মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ (MFLO)-এর ৬ ধারা অনুযায়ী অনুমতিবিহীন দ্বিতীয় বিবাহ একটি শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ</strong>। প্রথম স্ত্রী আদালতে নালিশ জানালে স্বামীর কারাদণ্ড নিশ্চিত হতে পারে এবং সম্পূর্ণ দেনমোহর তাৎক্ষণিক পরিশোধ করতে হয়। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই নির্দেশিকায় দ্বিতীয় বিয়ের আইন ও প্রথম স্ত্রীর অধিকার বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। চেম্বার কল: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।

আইনের ৬(১) ধারা অনুযায়ী প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সালিশি পরিষদের লিখিত অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো বিবাহ রেজিস্ট্রি করা যাবে না।

দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ (যেমন: প্রথম স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব বা গুরুতর শারীরিক অক্ষমতা) প্রদর্শন করে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হয়।

প্রথম স্ত্রী বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৬ ধারায় সিআর মামলা দায়ের করে স্বামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করাতে পারেন।

হ্যাঁ। আইনের ৬(৫)(ক) ধারা অনুযায়ী অনুমতিহীন বিয়ের মুহূর্তেই প্রথম স্ত্রীর সকল স্থগিত দেনমোহর তলবযোগ্য (Payable on Demand) হয়ে যায়।

দ্বিতীয় বিয়ের আইনি পরামর্শ ও মামলায় অভিজ্ঞ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।