লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
জমির স্বত্ব প্রমাণের জন্য অনলাইন ই-নামজারি (e-Mutation) অত্যন্ত জরুরি। অনলাইন ট্র্যাকিং, আবেদন বাতিল হলে করণীয় এবং ভুয়া নামজারি বাতিলের (Miss Case) ১০+ উপায় এই গাইডে দেওয়া হলো। আইনি পরামর্শের জন্য <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ই-নামজারি হলো পুরাতন মালিকের নাম কেটে নতুন নামজারিকৃত খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করার সরকারি ই-সার্ভিস।
আবেদন না-মঞ্জুর হলে এসি ল্যান্ডের না-মঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে এডিসি রেভিনিউ (ADC Revenue) অফিসে আপিল করা যায়।
কেউ ভুয়া দলিল বা ওয়ারিশ লুকিয়ে নামজারি করে নিলে এসি ল্যান্ড অফিসে রেকর্ড সংশোধনের মিস কেস (Miss Case) ফাইল করতে হয়।
এসি ল্যান্ড মিস কেসের নোটিশ উভয় পক্ষকে পাঠিয়ে শুনানি শেষে ভুয়া নামজারি রদ বা বাতিল করে দেন।
প্রিন্টিং মিস্টেক হলে সাধারণ আবেদন দিয়ে নামজারি খতিয়ান সংশোধন করিয়ে নেওয়া সম্ভব।
এসি ল্যান্ডের আদেশে সন্তুষ্ট না হলে ৩০ দিনের মধ্যে এডিসি রাজস্ব ও পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট রিভিশন করা যায়।
অনলাইনে ১১৭০ টাকা ফি পরিশোধ করলেই কিউআর কোড যুক্ত নতুন ই-খতিয়ান পাওয়া যায়।
উত্তর: সাধারণ মামলায় ২৮ কার্যদিবস এবং প্রবাসীদের ক্ষেত্রে ৪৫ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে।
ই-নামজারি ও মিস কেসের আইনি পরিচালনায় আমাদের সাহায্য নিন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।