লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-10-19 · 13 min read
বাংলাদেশ হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে (Hague Apostille Convention) যুক্ত হওয়ার পর থেকে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের সনদে আন্তর্জাতিক বৈধতা অর্জনের প্রক্রিয়ায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এখন আর ইউরোপ বা পশ্চিমা দেশের জন্য জটিল দূতাবাস সত্যায়নের প্রয়োজন হয় না; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ই-অ্যাপোস্টিল (e-Apostille) সিস্টেমের মাধ্যমে এক ক্লিকেই সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা যায়।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
বাংলাদেশ হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে (Hague Apostille Convention) যুক্ত হওয়ার পর থেকে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের সনদে আন্তর্জাতিক বৈধতা অর্জনের প্রক্রিয়ায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এখন আর ইউরোপ বা পশ্চিমা দেশের জন্য জটিল দূতাবাস সত্যায়নের প্রয়োজন হয় না; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ই-অ্যাপোস্টিল (e-Apostille) সিস্টেমের মাধ্যমে এক ক্লিকেই সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা যায়।
বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিচার বিভাগের সুনির্দিষ্ট বিধিমালার আলোকে যেকোনো সনদের ভুল বা তথ্যের অসঙ্গতি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হলফনামার মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য।
প্রশাসনিক যেকোনো কাজে বা শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী নোটারি পাবলিকের চেয়ে ১ম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (First Class Judicial Magistrate) কর্তৃক সম্পাদিত এফিডেভিটের আইনি গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর উপস্থিতিতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের সিল ও স্বাক্ষরে এটি সম্পন্ন হয়।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য সার্টিফিকেট সত্যায়নের সঠিক ধাপ: প্রথমে সরকার অনুমোদিত নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়ন, এরপর শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং সবশেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার উইং থেকে e-Apostille স্টিকার ও ডিজিটাল কিউআর কোড ভেরিফিকেশন গ্রহণ করা।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
আবেদনের জন্য মূল সনদ, ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রয়োজন হয়। স্ট্যাম্প ডিউটি ৩০০ টাকা এবং সরকারি বোর্ড ফি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গেজেট অনুযায়ী প্রযোজ্য হয়।
অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর। সনদপত্র সংশোধন, হলফনামা সম্পাদন, নোটারি এবং শিক্ষা বিষয়ক যেকোনো আইনি সহায়তায় আমাদের উত্তরা বা ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সরাসরি সাক্ষাত করতে পারেন।
আমাদের উত্তরা চেম্বারে (হাউস ৪৬, রোড ৬/বি, সেক্টর ১২) প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭:০০টা থেকে রাত ১০:০০টা এবং ঢাকা কোর্ট চেম্বারে সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টার মধ্যে সরাসরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেখা করতে পারেন।
আমাদের চেম্বার থেকে সাধারণত ১ কার্যদিবসের মধ্যেই ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এফিডেভিটের যাবতীয় ড্রাফটিং ও কোর্ট সিল-স্বাক্ষর সম্পন্ন করিয়ে দেওয়া হয়।