লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
পারিবারিক আদালতে মামলা গড়ালে তা বছরের পর বছর ধরে চলাই কেবল উভয় পক্ষের জন্য মানসিক ও আর্থিক কষ্টের কারণ হয় না, বরং সুন্দর একটি পরিবারের ভবিষ্যৎও নষ্ট করে। এজন্যই পারিবারিক আদালত আইনে বিচারকগণকে বাধ্যতামূলকভাবে মামলা শুরুর আগে ও পরে আপস-মীমাংসার সুযোগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আপস হলে আদালতে লিখিত <strong>'সোলে নামা' (Solenama / Compromise Deed)</strong> জমা দিয়ে মামলা প্রত্যাহার ও আপস ডিক্রি লাভ করার সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া নিচে দেওয়া হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর মূল লক্ষ্য কেবল শাস্তি বা ডিক্রি দেওয়া নয়, বরং ভেঙে যাওয়া পরিবার পুনর্গঠন বা সম্মানের সাথে আপস করা।
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR - Alternative Dispute Resolution) এর মাধ্যমে মামলা দ্রুত শেষ হয় এবং কোনো পক্ষই পরাজিত বোধ করেন না।
আদালতে বিচারাধীন মামলায় বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষ যে লিখিত সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করে আদালতের অনুমোদনের জন্য জমা দেন, তাকে সোলে নামা বা আপসনামা (Solenama) বলা হয়।
সোলে নামায় সাধারণত লেখা থাকে:
সোলে নামা আদালতে জমা দেওয়ার পর বিচারক বাদী ও বিবাদীকে সরাসরি ডেকে সোলে নামার শর্তগুলো পড়ে শোনান এবং স্বেচ্ছায় সই করেছেন কি না নিশ্চিত হন। সন্তুষ্ট হলে বিচারক সোলে নামার ভিত্তিতে **'সোলে ডিক্রি' (Compromise Decree)** প্রদান করে মামলা নিষ্পত্তি করে দেন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।