লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা দায়রা জজ আদালতে কোনো মামলায় ভুলবশত সাজা হলে কিংবা কোনো বেআইনি আদেশ প্রদান করা হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের <strong>হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ৪১০/৪১১ ধারায় “ফৌজদারি আপিল” (Criminal Appeal), ৪৩৯ ধারায় “ফৌজদারি রিভিশন” (Criminal Revision) এবং ৫৬১এ ধারায় “মামলা বাতিলের আবেদন” (Quashment Application)</strong> দায়ের করে তাৎক্ষণিক সাজা স্থগিত, জামিন ও খালাস পেতে পারেন। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত আইনি নির্দেশিকা নিচে তুলে ধরা হলো। চেম্বার হটলাইন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।
আপিল হলো আইনের দৃষ্টিতে সংক্ষুব্ধ পক্ষের অধিকার যা সম্পূর্ণ ঘটনার পুনর্মূল্যায়ন করে। রিভিশন হলো আদালতের নথিপত্র তলব করে আদেশের বৈধতা পরীক্ষার বিশেষ ক্ষমতা।
দায়রা জজ আদালতের সাজার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে সার্টিফাইড রায় ও মেমোরেন্ডাম অব আপিল হাইকোর্টে দাখিল করতে হয়।
আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ (Admission) হওয়ামাত্র আদালত সিআরপিসির ৪২৬(১) ধারা অনুযায়ী আসামির জামিন মঞ্জুর ও জরিমানার সাজা স্থগিত করেন।
বিচারিক প্রক্রিয়ার অপব্যবহার (Abuse of Process of Court) ঠেকাতে সুপ্রিম কোর্টের সহজাত ক্ষমতাবলে মিথ্যা মামলা সরাসরি খারিজ করা হয়।
হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল ও রিভিশনে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ ক্রিমিনাল বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর আইনি সহায়তা নিন। ফোন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।