লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
হেবা বিল এওয়াজ (Heba-bil-Ewaz) হলো কোনো কিছুর বিনিময়ে প্রদত্ত উপহার দলিল। কিন্তু প্রতারণা, ভয়ভীতি বা প্রতিদান না দিয়ে ভুয়া দলিল তৈরি করলে তা আদালতের মাধ্যমে বাতিল করা সম্ভব। ১০+ আইনি কারণে হেবা বাতিল মামলা সম্পর্কে জানুন। লিগ্যাল সার্ভিসে <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাথে কথা বলুন।
সাধারণ হেবা হলো কোনো বিনিময় ছাড়া নিঃশর্ত দান। আর হেবা বিল এওয়াজ হলো ধর্মীয় বা আর্থিক প্রতিদানের (যেমন: জয়নামাজ, কোরআন শরীফ বা মোহরানা) বিনিময়ে কৃত হস্তান্তর।
হেবা বিল এওয়াজ দলিলে প্রতিদান প্রকৃতপক্ষে প্রদান করা না হলে বা প্রতিদান কাল্পনিক হলে উক্ত দলিল বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।
দেওয়ানি সহকারী জজ আদালতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এর ৩১ ধারা মতে দলিল বাতিলের (Cancellation of Deed) মামলা করতে হয়।
বিজ্ঞ আদালত বাদীর সপক্ষে দালিলিক প্রমাণ পর্যালোচনার পর দলিলটি বেআইনি ও বাতিল ঘোষণা করে ডিক্রি জারি করেন।
প্রতিপক্ষ যাতে জমি হস্তান্তর বা বিক্রি না করতে পারে সেজন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন জমা দেওয়া হয়।
তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জালিয়াতি ও প্রতারণার কথা জানার ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হয়।
দণ্ডবিধির ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালিয়াতির ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
উত্তর: রক্তের নিকটাত্মীয়ের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রিকৃত হেবা সাধারণ নিয়মে বাতিল করা যায় না, তবে প্রতারণা থাকলে আদালতে বাতিল সম্ভব।
দলিল বাতিল ও জমি রক্ষায় বিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা পেতে ক্লিক করুন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।