লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-03-15
হেবা — ইসলামি আইনে সম্পত্তির দান — বাংলাদেশে পরিবারের মধ্যে জমি ও সম্পদ হস্তান্তরের সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। তবে আইনিভাবে ত্রুটিপূর্ণ হেবা ভবিষ্যতে পারিবারিক বিরোধের কারণ হতে পারে। তাই হেবার বৈধতার শর্তগুলো আগে থেকে জানা অপরিহার্য। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
হেবা (আরবি: هبة) হল দাতার (ওয়াহেব) কর্তৃক গ্রহীতার (মাওহুব লাহু) প্রতি জীবদ্দশায় করা তাৎক্ষণিক ও নিঃশর্ত সম্পত্তি দান, যা তাৎক্ষণিকভাবে মালিকানা হস্তান্তর করে। ওসিয়তের মতো মৃত্যুর পরে কার্যকর হয় না — হেবা দাতার জীবদ্দশায়ই সম্পূর্ণ হয়।
বাংলাদেশে হেবা মুসলিম ব্যক্তিগত আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এবং নিবন্ধন আইন ১৯০৮ দ্বারা পরিচালিত। যেকোনো সম্পত্তি হেবার আগে একজন সম্পত্তি আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
মুসলিম আইনে বৈধ হেবার তিনটি অপরিহার্য উপাদান:
অস্থাবর সম্পত্তির (জমি, ফ্ল্যাট, ভবন) জন্য সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
হেবা দলিল নিবন্ধনের প্রক্রিয়া:
নিবন্ধনের পর নামজারি করে সরকারি রেকর্ডে গ্রহীতার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
মুসলিম আইনে কবজার আগে হেবা প্রত্যাহার সাধারণত সম্ভব। তবে কবজার পরে:
প্রতারণামূলক বা জোরপূর্বক করা হেবা দেওয়ানি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায়। সন্দেহ হলে একজন উত্তরার সম্পত্তি আইনজীবীর সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করুন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।