হাইকোর্টে আগাম জামিনের খরচ ও নিয়ম – ১০+ বিষয়ে জামিন আবেদন, মেয়াদ ও চূড়ান্ত জামিন পাওয়ার উপায়

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

মিথ্যা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে আগাম জামিন (Anticipatory Bail) নেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। আগাম জামিনের খরচ ও ১০+ আইনি নিয়মাবলী সম্পর্কে জেনে নিন। হাইকোর্টে সরাসরি জামিন আবেদনের জন্য <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাহায্য নিন।

হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (Anticipatory Bail) এর সংজ্ঞা ও সাংবিধানিক ভিত্তি

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় ব্যক্তির জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সাংবিধানিক সুরক্ষার্থে হাইকোর্ট আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।

কোন কোন অপরাধ বা মামলায় আগাম জামিন পাওয়া যায়?

নারী নির্যাতন, হত্যা চেষ্টা, যৌতুক মামলা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা যেকোনো জামিনঅযোগ্য ফৌজদারি মামলায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়।

১০+ আইনি ধাপে হাইকোর্টে রিট/জামিন আবেদন ফাইল করার পদ্ধতি

  1. মামলার এজাহারের সার্টিফাইড কপি বা পিটিশন সংগ্রহ করুন।
  2. সুপ্রিম কোর্টের প্যানেল আইনজীবীর সঙ্গে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি/ওকালতনামা সম্পাদন করুন।
  3. আসামির এনআইডি ও প্রমাণের অনুলিপি যুক্ত করুন।
  4. হাইকোর্টের নির্ধারিত স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি সংযুক্ত করুন।
  5. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় পিটিশন ফাইল করুন।
  6. অ্যাফিডেভিট সেকশনে আসামির পক্ষে হলফকারী শপথ করবেন।
  7. হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে মোশন হিসেবে আবেদন উত্থাপন করুন।
  8. বিজ্ঞ বিচারপতি শুনানিতে আসামির উপস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।
  9. জামিন আদেশ হলে হাইকোর্টের বেল বন্ড কপি সংগ্রহ করুন।
  10. আদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সেশন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করুন।

আগাম জামিন আবেদনের সরকারি খরচ, ওকালতনামা ও আইনজীবীর আনুমানিক ফি

খাতআনুমানিক ফি
কোর্ট ফি ও স্ট্যাম্প৫০০ - ১,০০০ টাকা
টাইপিং ও অ্যাফিডেভিট১,০০০ - ২,০০০ টাকা
আইনজীবীর ফি (সুপ্রিম কোর্ট)১৫,০০০ - ৫০,০০০+ টাকা (মামলাভেদে)

আগাম জামিনের মেয়াদ (সাধারণত ৪-৮ সপ্তাহ) এবং নিচু আদালতে আত্মসমর্পণের নিয়ম

হাইকোর্ট সাধারণত ৪ থেকে ৮ সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন দেন। ওই মেয়াদের মধ্যে আসামিকে নিচু সেশন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে সারেন্ডার করতে হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ কর্তৃক জামিন বিরোধিতা বা স্থগিতাদেশ আবেদনের মোকাবিলা

রাষ্ট্রপক্ষ অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের মাধ্যমে বিরোধিতা করলেও আসামির আইনজীবীর সঠিক যুক্তিতে হাইকোর্ট আগাম জামিন বহাল রাখেন।

মিথ্যা মামলা, রাজনৈতিক হয়রানি ও পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে আগাম জামিন

হাইকোর্টের জামিনের আদেশ থাকলে পুলিশ আসামিকে রাস্তা বা বাসা থেকে গ্রেফতার করতে পারবে না।

জামিন পাওয়ার পর বন্ড জমা দেওয়া ও স্থায়ী জামিনের (Regular Bail) আবেদন

সেশন ট্রাইব্যুনালে জামিন বন্ড (Bail Bond) জমা দিয়ে নিয়মিত জামিনের শুনানি করাতে হয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন: আগাম জামিনের সময় কি আসামিকে হাইকোর্টে উপস্থিত থাকতে হয়?

উত্তর: হ্যাঁ, আগাম জামিনের দিন আসামিকে সশরীরে হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থিত থাকতে হয়।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শাহ আলমের চেম্বারে যোগাযোগ

হাইকোর্টে জামিন ফাইল করার জন্য আমাদের চেম্বারে যোগাযোগ করুন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।