লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-28 · ১৫ মিনিট
বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব হলে বা সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো অবৈধ সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন (Writ Petition) দায়ের করার ক্ষমতা রয়েছে। রিটের ধরন, কার্যকারিতা ও খরচ সম্পর্কিত আইনি নির্দেশনা নিচে দেওয়া হলো। সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর পরামর্শে কল দিন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
সাধারণ নিম্ন আদালতে যেখানে প্রতিকার পাওয়া যায় না বা যেখানে কোনো সরকারি সংস্থা/কর্মকর্তা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাগরিকের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেন, সেখানে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ যে বিশেষ আইনি নির্দেশ জারি করেন তাকেই রিট পিটিশন বলা হয়।
১. হেবিয়াস কর্পাস (Habeas Corpus): বেআইনিভাবে কোনো ব্যক্তিকে আটকে রাখলে তাকে আদালতে হাজির করার আদেশ।
২. ম্যানডামাস (Mandamus): কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষকে তার আইনি দায়িত্ব পালন করার আদেশ।
৩. প্রহিবিশন (Prohibition): নিম্ন আদালতকে এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ।
৪. সারটিওলারি (Certiorari): নিম্ন আদালতের কোনো অবৈধ আদেশ বা রায় বাতিল করার আবেদন।
৫. কু-ওয়ারেন্টো (Quo-Warranto): কোনো সরকারি পদে বসা ব্যক্তি কী যোগ্যতায় ওই পদে আছেন তা জানতে চাওয়া।
অবৈধ জমি দখল বা সরকারি অধিগ্রহণ, চাকুরি থেকে বেআইনি বরখাস্ত, মিথ্যা মামলায় আগাম জামিন (Anticipatory Bail) বা স্থগিতাদেশ (Stay Order) পাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড বা অভিজ্ঞ এডভোকেটের মাধ্যমে হাইকোর্টে ফাইল করতে হয়।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
রিটের ধরন ও জটিলতার ওপর নির্ভর করে সরকারি কোর্ট ফি এবং আইনজীবীর ফি নির্ধারিত হয়। সাধারণত জরুরি রিট আবেদনে ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ বা রুল (Rule Nisi) লাভ করা যায়।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি রিট ফাইল বা আইনি মতামত নিতে অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম স্যারের সাথে কথা বলুন:
হ্যাঁ, যেকোনো ক্ষুব্ধ নাগরিক যার মৌলিক বা সংবিধিবদ্ধ অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, তিনি হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারেন।