হাইকোর্টে রিট পিটিশন করার নিয়ম, খরচ ও ধাপ

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-28

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব হলে বা সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো অবৈধ সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন (Writ Petition) দায়ের করার ক্ষমতা রয়েছে। রিটের ধরন, কার্যকারিতা ও খরচ সম্পর্কিত আইনি নির্দেশনা নিচে দেওয়া হলো। সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর পরামর্শে কল দিন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।

সাধারণ নিম্ন আদালতে যেখানে প্রতিকার পাওয়া যায় না বা যেখানে কোনো সরকারি সংস্থা/কর্মকর্তা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাগরিকের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেন, সেখানে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ যে বিশেষ আইনি নির্দেশ জারি করেন তাকেই রিট পিটিশন বলা হয়।

১. হেবিয়াস কর্পাস (Habeas Corpus): বেআইনিভাবে কোনো ব্যক্তিকে আটকে রাখলে তাকে আদালতে হাজির করার আদেশ।
২. ম্যানডামাস (Mandamus): কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষকে তার আইনি দায়িত্ব পালন করার আদেশ।
৩. প্রহিবিশন (Prohibition): নিম্ন আদালতকে এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ।
৪. সারটিওলারি (Certiorari): নিম্ন আদালতের কোনো অবৈধ আদেশ বা রায় বাতিল করার আবেদন।
৫. কু-ওয়ারেন্টো (Quo-Warranto): কোনো সরকারি পদে বসা ব্যক্তি কী যোগ্যতায় ওই পদে আছেন তা জানতে চাওয়া।

অবৈধ জমি দখল বা সরকারি অধিগ্রহণ, চাকুরি থেকে বেআইনি বরখাস্ত, মিথ্যা মামলায় আগাম জামিন (Anticipatory Bail) বা স্থগিতাদেশ (Stay Order) পাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড বা অভিজ্ঞ এডভোকেটের মাধ্যমে হাইকোর্টে ফাইল করতে হয়।

রিটের ধরন ও জটিলতার ওপর নির্ভর করে সরকারি কোর্ট ফি এবং আইনজীবীর ফি নির্ধারিত হয়। সাধারণত জরুরি রিট আবেদনে ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ বা রুল (Rule Nisi) লাভ করা যায়।

📞 হাইকোর্ট রিট ও আইনি পরামশের জন্য

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি রিট ফাইল বা আইনি মতামত নিতে অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম স্যারের সাথে কথা বলুন:

📱 কল করুন: 01712655546 💬 WhatsApp সরাসরি মেসেজ