লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
নিজের কেনা বা পৈতৃক জমি গায়ের জোরে অন্য কেউ বেদখল করে নিলে বা জমিতে সীমানা প্রাচীর দিয়ে বাউন্ডারি তুলতে বাধা দিলে জমির মালিক চরম বিপদে পড়েন। অনেকে আইনি পথ না চিনে মারামারিতে জড়িয়ে নতুন ফৌজদারি মামলায় জড়িয়ে পড়েন, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। বাংলাদেশে ভূমি আইন অনুযায়ী জমি বেদখল হলে বা দখলের আশঙ্কা তৈরি হলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতের মাধ্যমে আইনসম্মতভাবে জমি পুনরুদ্ধার ও জমি বাউন্ডারি রক্ষার সুস্পষ্ট আইনি প্রতিকার রয়েছে। সম্পূর্ণ গাইড নিচে দেওয়া হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
জমি বেদখল হওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথে আইন নিজের হাতে না তুলে নিয়ে প্রজ্ঞার সাথে কাজ করতে হবে:
যদি জমিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বা শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা তৈরি হয়, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা (Section 145 CrPC) অনুযায়ী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ADM) আদালতে পিটিশন মামলা দায়ের করা যায়।
ম্যাজিস্ট্রেট জমিটিতে উভয় পক্ষের যাতায়াত বা কাজ করা স্থগিত রেখে রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন বা জমি বেদখল রোধে পুলিশি নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারা অনুযায়ী: যদি কোনো ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়া বেআইনিভাবে জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়, তবে তিনি বেদখল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে কেবল নিজের পূর্বের দখল প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালতে মামলা করে জমি ফেরত পেতে পারেন। এই মামলায় জমির দীর্ঘ টাইটেল বা মালিকানা প্রমাণের জটিলতায় যেতে হয় না।
যদি বেদখল হওয়ার ৬ মাস পার হয়ে যায়, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতে স্বত্ব সাব্যস্তপূর্বক দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (Suit for Declaration of Title and Recovery of Possession) ফাইল করতে হয়। এই মামলার তামাদি সময়সীমা বেদখলের তারিখ থেকে ১২ বছর।
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ১ ও ২ বিধি অনুযায়ী, মামলা চলাকালীন বিবাদী যেন জমিতে কোনো বাড়িঘর বানাতে বা জমি বিক্রি করতে না পারে, সেজন্য আদালত থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction / Stay Order) লাভ করা যায়।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।