লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-31 · ১৬ মিনিট
বাংলাদেশে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে শক্তি প্রয়োগ করে বা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের জমি বেদখল (Land Dispossession) করার ঘটনা অহরহ ঘটে। কিন্তু দেশের আইন অনুযায়ী প্রকৃত মালিককে গায়ের জোরে জমি থেকে উচ্ছেদ করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। জমি বেদখল হলে কীভাবে অবিলম্বে ১৪৫ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করবেন এবং দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে দখল পুনরুদ্ধার করবেন—তার সম্পূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো। ভূমিসংক্রান্ত আইনি সুরক্ষায় সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ জমি বিশেষজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর পরামর্শ নিতে কল করুন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
কোনো জমিতে বৈধ স্বত্ব বা দখলাধিকারে থাকা সত্ত্বেও যদি জোরপূর্বক প্রতিপক্ষ সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা, ফসল কেটে নেওয়া বা বহিরাগত বাহিনী দিয়ে উচ্ছেদ করে, তবে তাকে জমি বেদখল বলা হয়।
আমাদের জমি ও ভূমি বিরোধ আইনজীবী সার্ভিস পেজে আরও বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।
জমি বেদখলের উপক্রম হলে বা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ADM) আদালতে ১৪৫ ধারা (CrPC 145) বা ১৪৪ ধারায় মামলা করতে হয়। ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় পুলিশকে জমিতে সরজমিন রিপোর্ট ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন এবং অস্থায়ীভাবে জমির শান্তিদখল রিসিভারের নিকট হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারেন।
যদি আপনি জমিতে দীর্ঘদিন দখলে ছিলেন এবং আপনাকে অন্যায্যভাবে বেদখল করা হয়ে থাকে, তবে **দখল হারানোর ৬ মাসের মধ্যে** সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারায় দেওয়ানী আদালতে মামলা করতে পারবেন। এই মামলায় আপনাকে জমির মালিকানা প্রমাণ করতে হবে না, শুধু আপনি বেআইনিভাবে বেদখল হয়েছেন তা প্রমাণ করতে পারলেই আদালত দখল পুনরুদ্ধারের রায় দিবেন।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
যদি বেদখলের সময় ৬ মাস পার হয়ে যায়, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা (স্বত্ব ও দখল পুনরুদ্ধার) এবং ৪২ ধারা (ঘোষণামূলক মামলা) অনুযায়ী দেওয়ানী আদালতে ১২ বছরের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে হয়।
নতুন **ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩** অনুযায়ী, জালিয়াতি বা জোরজবরদস্তি করে জমি বেদখল করা একটি অ-জামিনযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। এই আইনে অপরাধীর **সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা** হতে পারে।
১৪৫ ধারার মামলা, স্থগিতাদেশ (Injunction) বা দখল উদ্ধারে দেওয়ানী মামলা পরিচালনায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত জমি বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম স্যারের সরাসরি সহায়তা পান:
জমি বেদখলের বা শান্তিসংঘর্ষের আশঙ্কার ২ মাসের মধ্যে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করতে হয়।