জমি জবরদখল হলে দখল পুনরুদ্ধারের দেওয়ানি মামলা ও প্রতিকার ২০২৬: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-25

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

জমি বা ফ্ল্যাট জবরদখল হয়ে গেলে কিংবা কোনো ভাড়াটিয়া চুক্তি শেষ হওয়ার পরও দখল ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে দেওয়ানি আদালতে <strong>সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ (Specific Relief Act)-এর ৮ ও ৯ ধারায়</strong> এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় আইনি প্রতিকার পাওয়া যায়। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই নির্দেশিকায় জমি বেদখল হলে দ্রুত দখল পুনরুদ্ধারের ৩টি কার্যকর আইনি উপায় তুলে ধরা হলো। চেম্বার কল: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।

৯ ধারায় বাদীকে জমির মালিকানা বা দলিল প্রমাণ করতে হয় না; শুধু প্রমাণ করতে হয় যে তাকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্যদিকে ৮ ধারায় দলিল ও খতিয়ানের মাধ্যমে চূড়ান্ত স্বত্ব (Title) প্রমাণ করতে হয়।

৯ ধারায় মামলা করতে হলে বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে অনধিক ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। সরকারের বিরুদ্ধে এই ধারায় মামলা চলে না।

জমি বেদখলের ১২ বছরের মধ্যে তামাদি আইন অনুযায়ী ৮ ধারায় মামলা করা যায়। এতে জমি মূল্যের অনুপাতে সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা অ্যাডভ্যালোরেম কোর্ট ফি প্রদান করতে হয়।

নতুন ভূমি আইনে জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে যা সরাসরি ফৌজদারি আদালতে বিচারযোগ্য।

দেওয়ানি মামলায় ডিক্রি পাওয়ার পর জারি মামলা (Execution Case) দায়ের করে আদালতের নাজির ও পুলিশ ফোর্সের সহায়তায় জমিতে লাল নিশান টাঙিয়ে বাদীকে প্রকৃত দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। জমি বিরোধে অভিজ্ঞ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।