লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-12
বাংলাদেশে জমি নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশনে কত টাকা খরচ হবে তা অনেকেই জানেন না। অনেকে দালাল বা অসাধু ব্যক্তির কাছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি টাকা দেন। এই গাইডে ২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী জমি নিবন্ধনের সরকারি ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি, উৎস কর ও অন্যান্য খরচের সম্পূর্ণ হিসাব দেওয়া হয়েছে। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
বাংলাদেশে জমি নিবন্ধনে সাধারণত নিচের ধরনের ফি ও কর দিতে হয়:
ফি নির্ধারণের ভিত্তি হলো দলিলে উল্লিখিত সম্পত্তির মূল্য। তবে সরকার নির্ধারিত মৌজা রেট (Mouza Rate) বা বাজারমূল্য যেটি বেশি, সেটি ধরে হিসাব হয়।
Registration Act 1908 এবং সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২৬ সালে রেজিস্ট্রেশন ফির হার:
উদাহরণ: ৫০ লাখ টাকা মূল্যের জমির রেজিস্ট্রেশন ফি = ৫০,০০০ × ১% = ৫০,০০০ টাকা।
রেজিস্ট্রেশন ফি সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়। এটি নিবন্ধন অফিসে নগদ বা ট্রেজারি চালান বা অনলাইনে দেওয়া যায়।
স্ট্যাম্প ডিউটি Stamp Act 1899 অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ২০২৬ সালের হালনাগাদ হার:
উদাহরণ: ঢাকায় ৫০ লাখ টাকার জমিতে স্ট্যাম্প ডিউটি = ৫০,০০,০০০ × ৩% = ১,৫০,০০০ টাকা।
স্ট্যাম্প ডিউটি ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বা সরকারি কোষাগারে নগদ জমা দেওয়া যায়। eporcha.gov.bd বা ই-ফি সিস্টেমেও পরিশোধ সম্ভব।
আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী জমি বিক্রয়ের সময় উৎস কর (TDS) প্রযোজ্য:
উৎস কর বিক্রেতার আয়করের বিপরীতে কর্তন হিসেবে গণ্য হয়। এটি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হয়।
গুরুত্বপূর্ণ: টিআইএন (TIN) সনদ না থাকলে উৎস কর দ্বিগুণ হতে পারে। তাই ক্রয়-বিক্রয়ের আগে TIN সংগ্রহ করুন।
সরকারি ফি ছাড়াও স্থানীয় সরকার কর দিতে হয়:
দলিল লেখকের ফি: দলিল প্রস্তুতির জন্য দলিল লেখক বা আইনজীবীকে আলাদা পারিশ্রমিক দিতে হয়।
মোট খরচের উদাহরণ (ঢাকা, ৫০ লাখ টাকার জমি):
বাংলাদেশ সরকার এখন অনলাইনে জমি নিবন্ধনের ফি হিসাব ও জমার সুবিধা দিয়েছে:
অনলাইনে ফি জমা দিলে দালালের হাত এড়ানো যায় এবং সরকারি রেকর্ড সংরক্ষিত হয়। সরাসরি একজন ভূমি আইনজীবীর সাহায্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে ভুলের ঝুঁকি কমে।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।