লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-31
মুসলিম বিবাহে নিকাহনামা বা কাবিননামা কেবল একটি ধর্মীয় কাগজ নয়, এটি স্ত্রীর আইনি ও আর্থিক সুরক্ষার অন্যতম প্রধান চুক্তিপত্র। কাবিননামার শর্তাবলী, দেনমোহর (Mahr) এবং তালাক পরবর্তী খোরপোষের ক্ষেত্রে আইনে স্ত্রীর কী কী অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে—তা নিয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা নিচে প্রদান করা হলো। যেকোনো পারিবারিক বিবাদে সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত পারিবারিক আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সরাসরি সহায়তা পেতে কল করুন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">01712655546</a>।
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন অনুযায়ী সরকারি ফরমের কাবিননামায় মোট ২৫টি ঘর থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘরসমূহ হলো:
আমাদের পারিবারিক ও ডিভোর্স বিষয়ক আইনি সেবা পেজে আরও তথ্য পড়তে পারেন।
ইসলামী ও মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী দেনমোহর দুই প্রকার:
স্বামী যদি দেনমোহরের টাকা দিতে অস্বীকার করে, তবে স্ত্রী পারিবারিক আদালত আইন ২০২৩ (Family Courts Act, 2023) অনুযায়ী জেলা পারিবারিক আদালতে দেনমোহর আদায়ের মামলা দায়ের করতে পারেন। পারিবারিক আদালত দেনমোহর পরিশোধের রায় দেন এবং না দিলে স্বামীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা দেওয়ানী কারাদণ্ডের আদেশ দিয়ে থাকেন।
আমাদের সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার হলো—"মেয়েরা আগে তালাক দিলে দেনমোহর পাওয়া যায় না।" এটি আইনত সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুল ধারণা। আইন অনুযায়ী স্ত্রী যেভাবেই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাক না কেন, তার পাওনা দেনমোহর ১০০% আদায় করার আইনি অধিকার রয়েছে।
স্বামী তার সাধ্যানুযায়ী স্ত্রীর খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার খোরপোষ দিতে বাধ্য। বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্ত্রী ইদ্দতকালীন (৯০ দিন) খোরপোষ পাবেন এবং নাবালক সন্তানদের প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তাদের পড়াশোনা ও জীবনযাত্রার সমস্ত খরচ বহন করতে পিতা আইনত বাধ্য।
পারিবারিক আদালতে দেনমোহর আদায়, খোরপোষ ও সন্তানের অভিভাবকত্ব মামলায় সরাসরি প্রখ্যাত অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম স্যারের সুপ্রিম কোর্ট ও উত্তরা চেম্বারে যোগাযোগ করুন।