লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
সরকারের ১ নং খতিয়ানভূক্ত জমিকে সরকারি খাস জমি বলা হয়। প্রকৃত ভূমিহীন কৃষক বা গৃহহীনদের অনুকূলে খাস জমি সরকারি বন্দোবস্ত দেওয়ার আইনি বিধান রয়েছে। ১০+ বন্দোবস্ত নীতি ও খাস জমি চেনার উপায় জানুন। আইনি সহায়তায় <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাথে থাকুন।
যেসব জমির সরকারি মালিকানা ১ নং খতিয়ানে কালেক্টর বা জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ড থাকে, তাই খাস জমি।
প্রকৃত ভূমিহীন কৃষক পরিবার (যাদের কোনো কৃষি জমি বা ভিটা বাড়ি নেই) খাস কৃষি জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার প্রথম দাবিদার।
ইউএনও (UNO) ও এসি ল্যান্ডের নিকট নির্ধারিত ফরমে ভূমিহীন সনদের সত্যায়িত কপিসহ আবেদন দাখিল করতে হয়।
কমিটি সরেজমিনে তহশিলদার দ্বারা তদন্ত করে প্রকৃত প্রস্তুত তালিকা জেলা কমিটিতে পাঠাবে।
নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো পরিবার, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও দুস্থ বিধবারা খাস জমি বরাদ্দে অগ্রাধিকার পান।
ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে খাস জমি দখলের চেষ্টা করলে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার আইনের অধীনে উচ্ছেদ ও মামলা করা হয়।
বন্দোবস্তকৃত খাস জমি হস্তান্তর বা বিক্রি করা আইনত নিষিদ্ধ এবং বিক্রি করলে বরাদ্দ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।
উত্তর: সাধারণ খাস জমি কেনাবেচা করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ভূমি আইনি পরামর্শে আমাদের চেম্বারের সাথে যোগাযোগ করুন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।