অনলাইনে সম্মানহানি ও ফেসবুকে মিথ্যা রটনার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার আইনি নিয়ম

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনে কোনো ব্যক্তির সামাজিক সম্মান ও সুনাম অমূল্য সম্পদ। কিন্তু বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক) বা পত্রপত্রিকায় মিথ্যা, কাল্পনিক বা উস্কানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে কারও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার ঘটনা অহরহ ঘটছে। বাংলাদেশে ফৌজদারি ও দেওয়ানি—উভয় আইনি ব্যবস্থায় মানহানির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রয়েছে। ফেসবুকে মানহানি বা অসত্য প্রচারণার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের সঠিক আইনি পথ ও ক্ষতিপূরণ দাবির নিয়ম নিচে তুলে ধরা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।

আইনের দৃষ্টিতে মানহানি (Defamation) কি?

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code) এর ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো শব্দ বা চিহ্নের মাধ্যমে এমন তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির সমাজে সুনাম, চরিত্র বা পেশাগত মর্যাদা সরাসরি ক্ষুণ্ন হয়, তবে তা মানহানি (Defamation) হিসেবে গণ্য হবে।

দণ্ডবিধি ৪৯৯ ও ৫০০ ধারা (ফৌজদারি মানহানি)

যদি কেউ মুখে বা লিখিতভাবে সরাসরি আপনার মানহানি করে, তবে আপনি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে পারেন।

সাজা: অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামির সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

দেওয়ানি আদালতে ক্ষতিপূরণ দাবির মামলা (Civil Suit for Damages)

কেবল আসামির সাজা দেওয়াই নয়, মানহানির কারণে আপনার যে পরিমাণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে, তার বিনিময়ে টাকা আদায়ের জন্য দেওয়ানি আদালতে 'ক্ষতিপূরণের মামলা' (Suit for Damages) দায়ের করতে পারেন। কোটি টাকার মানহানির ক্ষতিপূরণ চেয়ে ডিক্রি লাভ করা সম্ভব।

সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ এর অধীনে ফেসবুক মানহানি

যদি মানহানিটি ফেসবুক পেজ, গ্রুপ, ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল মাধ্যমে করা হয়, তবে সাইবার ট্রাইব্যুনালে সরাসরি লিখিত অভিযোগ বা এজাহার দায়ের করা যায়। অনলাইন আলামত সার্টিফাইড কপির মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হয়।

⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।