লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
মায়ের অর্জিত বা নানার থেকে পাওয়া জমি ও সম্পদের বন্টন ইসলামিক ফারায়েজ বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই নিবন্ধে ১০+ গাণিতিক হিসাব ও আইনি নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি সাহায্যে <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
মুসলিম পার্সোনাল ল অনুযায়ী মায়ের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তার সন্তান, স্বামী এবং জীবিত মাতাপিতা নিদিষ্ট অংশ পাবেন।
মা বেঁচে থাকা পর্যন্ত সন্তানরা সম্পত্তিতে দাবিদার হতে পারে না। মা স্বেচ্ছায় যাকে খুশি দিতে পারেন।
| ওয়ারিশ | শর্ত | পাওনা অংশ |
|---|---|---|
| স্বামী | সন্তান থাকলে | ১/৪ অংশ |
| স্বামী | সন্তান না থাকলে | ১/২ অংশ |
| ছেলে ও মেয়ে | অনুপাত | ছেলে ২ : মেয়ে ১ |
মায়ের নানা বাড়ির জমিও তার মৃত্যুর পর মায়ের ওয়ারিশরা (সন্তান ও স্বামী) পাবেন।
ভাইয়েরা বোনদের ফ্যারায়েজ না দিলে দেওয়ানি আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করতে পারবেন।
মায়ের হেবা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করা থাকলে তা চূড়ান্ত আইনসিদ্ধ।
ওয়ারিশান সনদসহ অনলাইনে ই-নামজারি (e-Mutation) করে নিজ খতিয়ান তৈরি করা যায়।
সহকারী জজ আদালতে বাটোয়ারা স্যুট (Partition Suit) ফাইল করে জমি ভাগ নেওয়া যায়।
উত্তর: এক মেয়ে হলে অর্ধেক (১/২), একাধিক মেয়ে হলে মোট সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) সমানভাগে পাবে।
সম্পত্তি বন্টন ও আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।