লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-24
পারিবারিক মনোমালিন্য বা বৈবাহিক বিরোধের জেরে অনেক সময় 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন' অথবা 'যৌতুক নিরোধ আইন'-এর অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দায়ের করার ঘটনা ঘটছে। অ-জামিনযোগ্য ধারায় মিথ্যা মামলা হলে পুরো পরিবার চরম মানসিক ও আইনি সংকটে পড়ে। তবে সঠিক সময়ে সঠিক আইনি প্রতিরক্ষা নিলে এই মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পাওয়া এবং মামলা খারিজ করা সম্ভব। এ সংক্রান্ত জরুরি আইনি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. Shah Alam</a>-এর পরামর্শ নিন।
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ১১(ক), ১১(খ), ১১(গ) ধারা এবং যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮-এর ৩ ও ৪ ধারায় সাধারণত মামলা করা হয়ে থাকে।
যেহেতু এই ধারার মামলাগুলো অ-জামিনযোগ্য (Non-Bailable), তাই মামলা হওয়ার সাথে সাথেই আসামীকে গ্রেফতার করার আইনি সুযোগ তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ ফৌজদারি আইনজীবীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মিথ্যা মামলার খবর বা শঙ্কা পাওয়া মাত্রই সবচেয়ে প্রথম করণীয় হলো গ্রেফতার এড়িয়ে আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য **আগাম জামিন** নেওয়া।
আগাম জামিনের প্রক্রিয়া:
সুপ্রিম কোর্টে অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
যদি আসামী ইতোমধ্যে গ্রেফতার হয়ে থাকেন, তবে দ্রুত নিয়মিত জামিনের (Regular Bail) আবেদন করতে হবে।
জামিন প্রার্থনার শক্তিশালী যুক্তিসমূহ:
যদি প্রাথমিক তদন্তে বা এফআইআর-এ মামলায় উল্লিখিত তথ্যের কোনো ভিত্তি না থাকে, তবে আসামী পক্ষ ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ৫৬১-এ (561A) ধারায় হাইকোর্টে **মামলা বাতিল বা ক্বোয়াশমেন্ট (Quashment)** আবেদন করতে পারেন।
ক্বোয়াশমেন্ট কখন মঞ্জুর হয়?
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় এবং দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
পাল্টা মামলার নিয়ম:
মিথ্যা মামলায় বিজয়ী হওয়ার প্রধান চাবিকাঠি হলো প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করা। অভিযোগ তৈরি হওয়ার আগে ও পরের সব ধরনের নথিপত্র সযত্নে রাখুন:
মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলার আইনি লড়াইয়ে সঠিক কৌশলী আইনজীবী না থাকলে দীর্ঘ সময় জেল হাজতে কাটাতে হতে পারে। সঠিক চার্জ গঠন খণ্ডন এবং সাক্ষীদের জেরা (Cross Examination) করার মাধ্যমেই জয় লাভ করা সম্ভব।
অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম — বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ও ঢাকা দায়রা জজ কোর্টের অভিজ্ঞ ফৌজদারি আইনজীবী। মিথ্যা মামলায় নির্দোষ ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষা ও জামিন নিশ্চিতে তিনি সততার সাথে সেবা প্রদান করেন।
⚖️ জরুরি আইনি সহায়তার জন্য যোগাযোগ: যেকোনো মিথ্যা মামলা বা জামিনের জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে কথা বলুন। আমাদের জামিন আইনি সেবা পেতে এখানে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন।