লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22 · ১২ মিনিট পড়ুন
পারিবারিক মনোমালিন্য বা বিবাহবিচ্ছেদের জেরে অনেক সময় যৌতুক নিরোধ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মতো কঠোর আইনকে হাতিয়ার বানিয়ে স্বামী ও তার বয়োবৃদ্ধ পিতা-মাতা বা স্বজনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রবণতা দেখা যায়। জামিনঅযোগ্য ধারার কারণে নির্দোষ পরিবারগুলো চরম সামাজিক ও আইনি হয়রানির শিকার হন। মিথ্যা যৌতুক বা নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করা হলে ভয় না পেয়ে কীভাবে আইনজীবী মারফত জামিন নেবেন, মামলা খারিজ (Quashment) করাবেন এবং মিথ্যা মামলাকারীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করবেন—তার আইনি সমাধান নিচে দেওয়া হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) নারীদের সুরক্ষার জন্য তৈরি হলেও পারিবারিক শত্রুতার জেরে এর অপব্যবহার ঘটছে। সাধারণ যৌতুকের মিথ্যা অভিযোগ বা ১১(গ) ধারায় (সাধারণ মারধর) স্বামী ও ভাসুর/ননদদের নাম জড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৬ ধারা অনুযায়ী: কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে যৌতুকের মিথ্যা মামলা দায়ের করেন, তবে বাদীকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
যদি দেখা যায় মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কেবল হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১/এ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে মামলা বাতিলের আবেদন (Quashment Application) করে নিম্ন আদালতের মামলা স্থায়ীভাবে রদ/বাতিল করানো যায়।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।
হ্যাঁ। যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৩/৪ ধারা জামিনযোগ্য। এছাড়া ১১(গ) ধারায় নারী নির্যাতন মামলায় প্রাথমিক সত্যতা না থাকলে ট্রাইব্যুনাল থেকে জামিন পাওয়া যায়।
হ্যাঁ। ফৌজদারি কার্যবিধি ২৫০ ধারা এবং দণ্ডবিধি ২১১ ধারায় মিথ্যা বাদীকে শাস্তি প্রদান ও দেওয়ানি আদালতে ক্ষতিপূরণ (Damages) দাবি করে মামলা করা যায়।