লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
পারিবারিক মনোমালিন্য বা বিবাহবিচ্ছেদের জেরে অনেক সময় যৌতুক নিরোধ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মতো কঠোর আইনকে হাতিয়ার বানিয়ে স্বামী ও তার বয়োবৃদ্ধ পিতা-মাতা বা স্বজনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রবণতা দেখা যায়। জামিনঅযোগ্য ধারার কারণে নির্দোষ পরিবারগুলো চরম সামাজিক ও আইনি হয়রানির শিকার হন। মিথ্যা যৌতুক বা নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করা হলে ভয় না পেয়ে কীভাবে আইনজীবী মারফত জামিন নেবেন, মামলা খারিজ (Quashment) করাবেন এবং মিথ্যা মামলাকারীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করবেন—তার আইনি সমাধান নিচে দেওয়া হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) নারীদের সুরক্ষার জন্য তৈরি হলেও পারিবারিক শত্রুতার জেরে এর অপব্যবহার ঘটছে। সাধারণ যৌতুকের মিথ্যা অভিযোগ বা ১১(গ) ধারায় (সাধারণ মারধর) স্বামী ও ভাসুর/ননদদের নাম জড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৬ ধারা অনুযায়ী: কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে যৌতুকের মিথ্যা মামলা দায়ের করেন, তবে বাদীকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
যদি দেখা যায় মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কেবল হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১/এ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে মামলা বাতিলের আবেদন (Quashment Application) করে নিম্ন আদালতের মামলা স্থায়ীভাবে রদ/বাতিল করানো যায়।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।