লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22
পিতার মৃত্যুর পর নাবালক সন্তানের নামে থাকা পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করা নিয়ে অনেক পরিবারে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। মা বা অন্য আত্মীয়রা মনে করেন তারা অভিভাবক হিসেবে সরাসরি নাবালকের জমি বিক্রি করে দিতে পারবেন। কিন্তু বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি এবং বাতিলযোগ্য। ১৮৯০ সালের অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন অনুযায়ী আদালতের অনুমোদন নিয়ে নাবালকের জমি বিক্রির সম্পূর্ণ আইনি নিয়ম নিচে দেওয়া হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
Guardians and Wards Act, 1890 (১৮৯০ সালের অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন) এবং ১৮৭৫ সালের সাবালকত্ব আইন (Majority Act) অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি নাবালক। নাবালক তার সম্পত্তির লেনদেনের জন্য আইনত চুক্তি করার যোগ্য নয়।
মুসলিম আইন অনুযায়ী নাবালকের সম্পত্তির প্রাকৃতিক আইনি অভিভাবক হলেন কেবল পিতা। পিতার মৃত্যুর পর পিতা কর্তৃক মনোনীত ওসি বা পিতা যদি উইল না করে যান, তবে দাদা আইনগত অভিভাবক হন।
মা নাবালকের শরীরের (Person) হিজানাত বা রক্ষণাবেক্ষণের অভিভাবক হলেও, সম্পত্তির একক অভিভাবক নন। ফলে মাকেও নাবালকের জমি বিক্রি করতে আদালতের অনুমতি নিতে হয়।
জেলা জজ বা পারিবারিক আদালত কেবল ২টি বিশেষ ক্ষেত্রে নাবালকের জমি বিক্রির অনুমতি দেন:
আদালত জমি বিক্রির অনুমতি দেওয়ার সময় শর্ত জুড়ে দেন যে, জমি বিক্রির সম্পূর্ণ টাকা নাবালকের নামে কোনো তফসিলি ব্যাংকে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী আমানত (FDR) হিসেবে জমা রাখতে হবে এবং কেবল তার লভ্যাংশ নাবালকের পড়ার খরচে ব্যবহার করা যাবে।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।