নাবালকের সম্পত্তি ফেরত ও অভিভাবকত্ব আইন: বিক্রি করা জমি পুনরুদ্ধার ও জালিয়াতি প্রতিকার ২০২৬

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-23

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

পিতা বা বৈধ অভিভাবকের মৃত্যুর পর নাবালক সন্তানের জমি বা সম্পত্তি অনেক সময় অসৎ আত্মীয়-স্বজন বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে বিক্রি করে ফেলে। <strong>অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন ১৮৯০ (Guardians and Wards Act 1890)</strong> অনুযায়ী বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের পূর্বানুমোদন ছাড়া নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও বাতিলযোগ্য (Voidable)। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর এই নির্দেশিকায় নাবালকের জমি ফেরত পাওয়ার আইনি উপায় তুলে ধরা হলো। হটলাইন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।

১৮৯০ সালের গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট অনুযায়ী নাবালক সন্তানের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা করা আদালতের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আদালত ছাড়া অন্য কেউ নাবালকের সম্পত্তির চূড়ান্ত অভিভাবক হতে পারেন না যদি না তিনি উইলে বা আদালতের আদেশে নিযুক্ত হন।

আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি বিক্রির পূর্বে সংশ্লিষ্ট জেলা জজ আদালতে মিস কেস (Permission Case) দায়ের করে প্রমাণ করতে হয় যে বিক্রির টাকা নাবালকের শিক্ষা, চিকিৎসা বা মৌলিক প্রয়োজনে ব্যয় হবে। অনুমতিহীন যেকোনো দলিল আইনের দৃষ্টিতে বাতিলযোগ্য।

তামাদি আইন ১৯০৮-এর ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাবালক ব্যক্তি সাবালক (১৮ বছর পূর্ণ) হওয়ার পর থেকে ৩ (তিন) বছরের মধ্যে অবৈধ বিক্রয় দলিল বাতিলের মামলা দায়ের করতে হবে। ১৮ বছর থেকে ২১ বছর বয়সের মধ্যে এই প্রতিকার চাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী সাব-রেজিস্ট্রারের রেজিস্ট্রি দলিল বাতিল এবং ৪২ ও ৮ ধারা অনুযায়ী জমিতে মালিকানা স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারের দেওয়ানি মামলা সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দায়ের করতে হয়।

মুসলিম আইনে পিতা জীবিত না থাকলে মা সন্তানের স্বাভাবিক অভিভাবক (Natural Guardian) হিসেবে সম্পত্তি বিক্রয় বা বন্ধক দেওয়ার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা পান না। আদালতের অনুমোদনহীন দান বা হস্তান্তর আইনগতভাবে টেকে না।

নাবালকের জমি জালিয়াতি রোধে অভিজ্ঞ সুপ্রিম কোর্ট দেওয়ানি আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর আইনি পরামর্শ নিতে কল করুন ০১৭১২৬৫৫৫৪৬ নাম্বারে।