পাওনা টাকা আদায়ের মামলা ও অর্থ জারি মামলার আইনি সময়সীমা ও নিয়ম

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

ব্যবসায়িক লেনদেন, চুক্তিভঙ্গ, বন্ধকী চুক্তি বা ব্যক্তিগত ধারের পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে বিবাদী যদি ঘুরাতে থাকেন, তবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াই একমাত্র পথ। বাংলাদেশে চেক না থাকলেও কেবল লিখিত চুক্তি, বায়নাপত্র, স্ট্যাম্প, বা প্রমিসরি নোটের ভিত্তিতে দেওয়ানি আদালতে মামলা করে পাওনা টাকা আদায় করা যায়। টাকা আদায়ের জন্য <strong>'মানি সুট' (Money Suit)</strong> এবং ডিক্রির পর <strong>'অর্থ জারি মামলা' (Money Execution Case)</strong> করার সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া নিচে তুলে ধরা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।

পাওনা টাকা আদায়ের ৩টি প্রধান আইনি উপায়

বাংলাদেশে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য লেনদেনের ধরন অনুযায়ী ৩টি আলাদা আইনি পথ রয়েছে:

  1. চেক বাউন্স হলে: Negotiable Instruments Act ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত মামলা।
  2. লিখিত চুক্তি বা স্ট্যাম্প থাকলে: Code of Civil Procedure (CPC) এর আওতায় দেওয়ানি আদালতে Money Suit (অর্থ আদায়ের মামলা)।
  3. ব্যবসা বা প্রতারণা হলে: টাকা নিয়ে পলায়ন বা প্রতারণা করলে দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারায় ফৌজদারি মামলা।

দেওয়ানি আদালতে 'মানি সুট' (Money Suit) দায়েরের নিয়ম

যদি আপনার কাছে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র, রসিদ বা ব্যাংক ট্রান্সফারের প্রমাণ থাকে, তবে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে Money Suit দায়ের করা যায়।

কোর্ট ফি: মানি সুট মামলায় আদায়যোগ্য টাকার ওপর সর্বোচ্চ ২.৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা অ্যাড-ভ্যালরেম কোর্ট ফি (Ad-valorem Court Fee) জমা দিতে হয়।

আদালতের রায়ের পর টাকা আদায়ের জন্য 'অর্থ জারি মামলা'

আদালত যদি আপনার পক্ষে টাকা আদায়ের রায় বা ডিক্রি দেন, কিন্তু বিবাদী তা সত্ত্বেও টাকা না দেন, তবে সিপিসি-র ২১ আদেশ অনুযায়ী 'অর্থ জারি মামলা' (Money Execution Suit) দায়ের করতে হয়।

জারি মামলায় দেওয়ানি আদালত বিবাদীর নামীয় স্থাবর জমি বা ব্যাংক ব্যালেন্স ক্রোক (Attachment) ও নিলাম (Auction) করে পাওনাদারকে টাকা বুঝিয়ে দেন অথবা বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেন।

⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।