লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-07-22 · ১১ মিনিট পড়ুন
ব্যবসায়িক লেনদেন, চুক্তিভঙ্গ, বন্ধকী চুক্তি বা ব্যক্তিগত ধারের পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে বিবাদী যদি ঘুরাতে থাকেন, তবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াই একমাত্র পথ। বাংলাদেশে চেক না থাকলেও কেবল লিখিত চুক্তি, বায়নাপত্র, স্ট্যাম্প, বা প্রমিসরি নোটের ভিত্তিতে দেওয়ানি আদালতে মামলা করে পাওনা টাকা আদায় করা যায়। টাকা আদায়ের জন্য <strong>'মানি সুট' (Money Suit)</strong> এবং ডিক্রির পর <strong>'অর্থ জারি মামলা' (Money Execution Case)</strong> করার সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া নিচে তুলে ধরা হলো। যেকোনো জটিল আইনি সমস্যায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
বাংলাদেশে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য লেনদেনের ধরন অনুযায়ী ৩টি আলাদা আইনি পথ রয়েছে:
যদি আপনার কাছে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র, রসিদ বা ব্যাংক ট্রান্সফারের প্রমাণ থাকে, তবে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে Money Suit দায়ের করা যায়।
কোর্ট ফি: মানি সুট মামলায় আদায়যোগ্য টাকার ওপর সর্বোচ্চ ২.৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা অ্যাড-ভ্যালরেম কোর্ট ফি (Ad-valorem Court Fee) জমা দিতে হয়।
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
আদালত যদি আপনার পক্ষে টাকা আদায়ের রায় বা ডিক্রি দেন, কিন্তু বিবাদী তা সত্ত্বেও টাকা না দেন, তবে সিপিসি-র ২১ আদেশ অনুযায়ী 'অর্থ জারি মামলা' (Money Execution Suit) দায়ের করতে হয়।
জারি মামলায় দেওয়ানি আদালত বিবাদীর নামীয় স্থাবর জমি বা ব্যাংক ব্যালেন্স ক্রোক (Attachment) ও নিলাম (Auction) করে পাওনাদারকে টাকা বুঝিয়ে দেন অথবা বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেন।
⚖️ বিশেষজ্ঞ আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ: আপনার আইনি বিষযটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে সরাসরি কথা বলুন বা আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনি সেবা গ্রহণ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।
তামাদি আইন (Limitation Act) অনুযায়ী টাকা পরিশোধের নির্ধারিত তারিখ বা চুক্তি ভঙ্গের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে মানি সুট দায়ের করতে হয়।
লিখিত কাগজ বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট না থাকলে কেবল সাক্ষী ও প্রমাণের ওপর নির্ভর করতে হয়, যা আদালতে প্রমাণ করা কঠিন। ব্যাংক ট্রান্সফার বা মেসেজ প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।