লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-07 · ১৫ মিনিট
<p>যৌথ ব্যবসা বা পার্টনারশিপে অন্যতম অংশীদার হিসাব লুকাচ্ছে, প্রতিষ্ঠানের মুনাফা আত্মসাৎ করছে বা আপনাকে অন্ধকারে রেখে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে? <strong>অংশীদারি আইন ১৯৩২ এবং দণ্ডবিধির আওতায় অবিলম্বে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিন।</strong> বাণিজ্যিক আইন বিশেষজ্ঞ: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
| বিষয় / শর্ত | সরকারি নিয়ম, ফি ও আইন (২০২৬) |
|---|---|
| প্রযোজ্য আইন ও আদালত | বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC) ও সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ |
| আগাম ও নিয়মিত জামিন | হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮ CrPC) ও ম্যাজিস্ট্রেট/দায়রা আদালতে নিয়মিত জামিন |
| সরকারি পোর্টাল ও যাচাই | supremecourt.gov.bd, judiciary.gov.bd, pcc.police.gov.bd ও land.gov.bd |
| জরুরি আইনি পরামর্শ চেম্বার | অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট) — ০১৭১২-৬৫৫৫৪৬ |
বাংলাদেশে বহু অংশীদারি প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর সফলভাবে চলার পর অংশীদারদের অসততা বা অস্বচ্ছতার কারণে সংকটে পড়ে। সচরাচর যেসব বিরোধ দেখা যায়:
অংশীদারি আইন (Partnership Act, 1932) এবং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে দেওয়ানি আদালতে নিচের প্রতিকার পাওয়া যায়:
| মামলার ধরন | আইনি বিধান | ফলাফল |
|---|---|---|
| হিসাব আদায়ের মামলা (Suit for Accounts) | অংশীদারি আইন ও সিপিসি | আদালত চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ করে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি টাকার সঠিক হিসাব ও পাওনা নির্ধারণ করবেন |
| কারবার বিলুপ্তির মামলা (Dissolution of Firm) | অংশীদারি আইনের ৪৪ ধারা | আদালতের মাধ্যমে পার্টনারশিপ আনুষ্ঠানিক অবলুপ্ত হবে এবং দায়-দেনা শোধ করে অবশিষ্ট সম্পদ বণ্টন হবে |
| নিষেধাজ্ঞার মামলা (Injunction Suit) | সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩–৫৪ ধারা | অন্য পার্টনার যাতে ব্যবসা সম্পদ বিক্রি বা ক্ষতিসাধন না করতে পারে তার ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ |
যদি কোনো পার্টনার ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ করে বা জাল ভাউচার তৈরি করে থাকে, তবে কেবল দেওয়ানি মামলায় ক্ষান্ত না হয়ে তাৎক্ষণিক ফৌজদারি মামলা করা যায়:
আপনার জমি বিরোধ, বাটোয়ারা মামলা, জামিন, তালাক বা সাইবার জটিলতায় বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্ট বা উত্তরা চেম্বারে নথিপত্রসহ সরাসরি বসুন।
পার্টনারশিপ মামলার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো মামলা চলার ফাঁকে বিবাদীপক্ষ সব মালামাল বিক্রি করে টাকা উধাও করে দিতে পারে। এটি প্রতিরোধ করতে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়মে আদালত থেকে স্বাধীন রিসিভার (Court Receiver) নিয়োগ করানো হয়:
রিসিভার নিয়োগ হলে বিবাদী ব্যবসায় হাত দিতে পারে না। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গোডাউন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আদালত মনোনীত কর্মকর্তার হাতে চলে যায়, ফলে বাদীর বিনিয়োগ ও পাওনা ১০০% সুরক্ষিত থাকে।
যেকোনো অংশীদারি ব্যবসায় নামার পূর্বেই একটি পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রেজিস্ট্রিকৃত পার্টনারশিপ ডিড প্রস্তুত করা উচিত। চুক্তিতে আরবিট্রেশন আইন ২০০১ (Arbitration Act) অনুযায়ী একটি বাধ্যতামূলক সালিশি ক্লজ (Arbitration Clause) রাখা হলে আদালতকক্ষে দীর্ঘ বছর না কাটিয়ে কয়েক মাসের মধ্যে সালিশি ট্রাইব্যুনালে বিরোধের কার্যকর নিষ্পত্তি সম্ভব হয়।
আপনার কষ্টের বিনিয়োগ অন্য কারো অসততার শিকার হতে দেবেন না। লিগ্যাল নোটিশ প্রদান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে উপযুক্ত প্রতিকার নিশ্চিত করতে আমাদের সাথে পরামর্শ করুন।
অংশীদারি আইনের ৬৯ ধারা অনুযায়ী আন-রেজিস্টার্ড ফার্ম তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে বা অংশীদারদের পারস্পরিক অধিকার নিয়ে দেওয়ানি মামলা করতে বাধার সম্মুখীন হয়; তবে ফৌজদারি মামলা ও ফার্ম বিলুপ্তির জন্য মামলা দায়ের করা যায়।
অংশীদারি ব্যবসায় প্রতিটি পার্টনারের দায় অসীম (Unlimited Liability)। ফার্মের ঋণের জন্য যেকোনো পার্টনারের ব্যক্তিগত সম্পদও ক্রোকযোগ্য হতে পারে।
না, অংশীদারি আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী পার্টনারশিপ ডিডে সুস্পষ্ট ক্ষমতা না থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে (Good Faith) কারণ দর্শানো ছাড়া কোনো পার্টনারকে বহিষ্কার করা যায় না।