লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-26
ভুয়া ভিসা, জাল পাসপোর্ট, অন্যের তথ্য ব্যবহার করে বিদেশে গমণের অপচেষ্টা বা দালালের খপ্পরে পড়ে মানবপাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়া একটি মারাত্মক অজামিনযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। <strong>দ্যা পাসপোর্ট অফেন্সেস অ্যাক্ট ১৯৫২ (Passport Offences Act 1952) এবং মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২</strong> অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার হয় যেখানে সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র ক্রিমিনাল আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold;text-decoration:underline;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর বিস্তারিত আইনি গাইডে পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলা থেকে অব্যাহতি ও জামিনের উপায় আলোচনা করা হলো। চেম্বার হটলাইন: <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold;">০১৭১২৬৫৫৫৪৬</a>।
পাসপোর্টে বয়স, নাম বা পিতার নাম পরিবর্তন করে ভুয়া তথ্য দেওয়া কিংবা জাল স্টিকারযুক্ত ভিসা ব্যবহার করলে ইমিগ্রেশন পুলিশ ফৌজদারি মামলা রুজু করে।
আইনের ৬, ৭ ও ৮ ধারা অনুযায়ী জোরপূর্বক বা প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাচার করলে কঠোর সশ্রম কারাদণ্ড ও কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
আটক হওয়ামাত্র বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন ও ট্র্যাভেল এজেন্সির মূল রসিদ সরবরাহ করা জরুরি।
ট্রাইব্যুনালে জামিন নামঞ্জুর হলে হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি বিবিধ আবেদন (Criminal Misc under Section 498 CrPC) দাখিল করে জামিন নেওয়া যায়।
পাসপোর্ট ও মানবপাচার মামলায় শক্তিশালী আইনি প্রতিরক্ষার জন্য সরাসরি অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম-এর সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭১২৬৫৫৫৪৬।