লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-07
<p>শত্রুতামূলক মিথ্যা মামলা বা পুলিশের অনৈতিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন? <strong>আইন সাধারণ নাগরিককে আত্মরক্ষা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইনি অস্ত্র দিয়েছে — সুপ্রিম কোর্টের রিট ও ফৌজদারি কার্যবিধির মাধ্যমে এ ধরনের হয়রানি তাৎক্ষণিক বন্ধ করা সম্ভব।</strong> আইনি সহায়তার জন্য: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারলেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) বনাম বাংলাদেশ মামলায় পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে:
যদি কোনো মামলার এজাহারে কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধের উপাদান না থাকে এবং সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ক্ষোভ মেটাতে মামলা করা হয়, তবে হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১-এ ধারায় কোয়াশমেন্ট পিটিশন (Quashment of Proceedings) দায়ের করা যায়:
হাইকোর্ট মামলাটি পর্যালোচনা করে যদি দেখেন যে এটি আইনের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার (Abuse of the Process of the Court), তবে আদালত মূল মামলার সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত (Stay) করবেন এবং পরবর্তীতে শুনানি শেষে এফআইআর বা চার্জশিট বাতিল (Quash) করে আসামিকে মামলা থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেবেন।
যদি পুলিশ বা কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে কোনো নাগরিককে বেআইনিভাবে আটকে রাখে বা তার জীবন ও স্বাধীনতায় অন্যায় হস্তক্ষেপ করে, তবে বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে হাইকোর্টে রিট করা যায়:
| রিটের ধরন | কখন দায়ের করবেন? | হাইকোর্টের নির্দেশনা |
|---|---|---|
| বন্দি হাজিরকরণ রিট (Habeas Corpus) | পুলিশ কাউকে তুলে নিয়ে কোনো আদালতে হাজির না করে গোপনে আটকে রাখলে | আদালত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক ব্যক্তিকে হাইকোর্টের এজলাসে সশরীরে হাজির করার নির্দেশ দেন |
| পরমাদেশ রিট (Mandamus) | পুলিশ আইনগত কর্তব্য পালনে অস্বীকার করলে বা অন্যায় হয়রানি করলে | আদালত পুলিশকে আইনসম্মতভাবে দায়িত্ব পালনের ও হয়রানি বন্ধের নির্দেশ দেন |
| প্রতিষেধক রিট (Prohibition) | আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিজ এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে বেআইনি কার্যক্রম চালালে | আদালত বেআইনি কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন |
মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পাওয়ার পর সেই মিথ্যা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আইনগতভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিধান রয়েছে:
যদি কোনো তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন, শারীরিক নির্যাতন করেন বা আসামিকে মিথ্যা ধারায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন, তবে নিচের ফোরামগুলোতে সরাসরি অভিযোগ করা যায়:
অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবেন না। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের মাধ্যমে রিট পিটিশন ও কোয়াশমেন্ট দায়ের করে তাৎক্ষণিক প্রতিকার পান। যেকোনো জরুরি আইনি সংকটে আমরা আপনার পাশে আছি।