লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-08-10
পুলিশি রিমান্ড (Remand) মানেই নির্যাতন নয়। দেশের সংবিধান এবং সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে রিমান্ডে আসামির সুনির্দিষ্ট আইনি অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে। রিমান্ডে আসামির ১০+ আইনি অধিকার ও রিমান্ড বাতিলের কৌশল জানুন। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--accent);font-weight:600;">অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম</a>-এর আইনি পরামর্শ নিন।
তদন্তের স্বার্থে আসামীকে পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের অনুমতি নেওয়াকে রিমান্ড বলা হয়।
সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে রিমান্ডে কাঁচের দেয়াল বিশিষ্ট কক্ষে আইনজীবী ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
পুলিশ হেফাজতে আসামির গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন থাকলে সাথে সাথে সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারের চেকআপ বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
হাজতে আসামির ওপর শারীরিক নির্যাতন করলে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের কাস্টডিয়াল ডেথ অ্যাক্টে কড়া মামলা দায়ের করা যায়।
আইনজীবী কোর্টে প্রমাণ করতে পারেন যে এজাহারে আসামির নাম থাকা সত্ত্বেও রিমান্ডে নেওয়ার আইনগত কোনো যৌক্তিকতা নেই।
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে ৩ ঘণ্টা ভাবার সময় দেবেন এবং নিশ্চিত করবেন যে কোনো পুলিশি চাপে জবানবন্দি দেওয়া হচ্ছে না।
রিমান্ড না মঞ্জুর হলে আদালত আসামিকে বিচার বিভাগীয় কাস্টডি বা জেলহাজতে পাঠায়।
উত্তর: সুনির্দিষ্ট ভিত্তি ছাড়া বারবার রিমান্ডের আবেদন উচ্চ আদালত নাকচ করে দেন।
ফৌজদারি রিমান্ড ও জামিন শুনানিতে বিজ্ঞ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর সেবা নিন। যোগাযোগ পেজে ক্লিক করুন।