প্রাণনাশের হুমকি ও জমি জবরদখলে ১০৭ ধারার মামলা ২০২৬ — নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মুচলেকা ও নিরাপত্তা

লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-10

⚠️ দাবিত্যাগ: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি তথ্যের জন্য। এটি আইনি পরামর্শ নয়। সরাসরি পরামর্শের জন্য +880 1712-655546-এ যোগাযোগ করুন।

<p>শত্রুপক্ষ প্রকাশ্যে আপনাকে বা আপনার পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে, অথবা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আপনার ভিটেমাটি দখলের পাঁয়তারা করছে? <strong>অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করে বিবাদীদের শান্তি রক্ষার বন্ডে আবদ্ধ করুন।</strong> জরুরি সুরক্ষার জন্য: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>

ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC, 1898)-এর ১০৭ ধারা কোনো শাস্তিমূলক ধারা নয়, বরং এটি অপরাধ সংঘটিত হওয়া ঠেকানোর প্রতিরোধমূলক ক্ষমতা (Preventive Jurisdiction):

১০৭ ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো—কোনো ব্যক্তি যাতে এলাকায় শান্তিভঙ্গ করতে না পারে বা বড় ধরনের রক্তপাত ও দাঙ্গা না ঘটাতে পারে, সেজন্য তাকে আদালতের কাছে ভালো আচরণের আর্থিক মুচলেকা দিতে বাধ্য করা। যদি কেউ মুচলেকা দিয়ে শান্তি ভঙ্গ করে, তবে তার জামানতের অর্থ সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

দৈনন্দিন জীবনে যেসব ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে দ্রুত ১০৭ ধারা কার্যকর প্রতিকার দেয়:

  • প্রাণনাশের প্রত্যক্ষ হুমকি: জমি বা টাকা সংক্রান্ত বিরোধে প্রকাশ্যে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হলে।
  • জমি বা দোকান জবরদখলের পাঁয়তারা: লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে হামলা বা দখলের সুস্পষ্ট হুমকি।
  • মারপিট ও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি: জামিনে বের হয়ে বাদী বা সাক্ষীকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি প্রদান।
  • পারিবারিক সহিংসতা ও উচ্ছেদ হুমকি: সম্পত্তিবঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে বৃদ্ধ বাবা-মা বা নারীকে গৃহহীন করার হুমকি।

১০৭ ধারায় মামলা দায়ের করতে নিচের আইনি পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে হয়:

  1. এখতিয়ারভুক্ত আদালত: সংশ্লিষ্ট জেলার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ADM Court) অথবা মেট্রোপলিটন এলাকায় ডিসি (প্রসিকিউশন) আদালতে মামলা দায়ের।
  2. নালিশি দরখাস্ত ও জিডি দাখিল: সুনির্দিষ্ট তারিখ, সময়, ঘটনার স্থান ও সাক্ষীদের নাম উল্লেখ করে আরজি প্রস্তুত। পূর্বের জিডির কপি সংযুক্ত করা।
  3. কারণ দর্শানোর নোটিশ (Show Cause Notice): আদালত প্রাথমিক সন্তুষ্টির পর বিবাদীর নামে নোটিশ জারি করবেন যে কেন তাকে শান্তি রক্ষার মুচলেকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না (১১২ ধারা)।

জরুরি ক্ষেত্রে তদন্ত চলার ফাঁকেই আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন বন্ড (Interim Bond under Section 117(3) CrPC) দেওয়ার আদেশ করানো যায়:

যদি বাদীপক্ষ প্রমাণ করতে পারে যে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত রিপোর্ট আসার আগেই বিবাদীকে তাৎক্ষণিক অন্তর্বর্তীকালীন মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। মুচলেকা না দিলে বিবাদীকে তাৎক্ষণিক হাজতে পাঠানো হয়।

মুচলেকা সম্পাদন করার পর যদি বিবাদী আবারও এলাকায় শান্তি বিঘ্নিত করে বা হুমকি দেয়, তবে ১২২ ও ১২৩ ধারা অনুযায়ী আদালত জামিনদারদের নোটিশ করে জরিমানার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা নেন এবং বিবাদীকে নির্ধারিত মেয়াদের অবশিষ্ট সময় কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেন।

⚖️ ব্যক্তি নিরাপত্তা ও জমি রক্ষায় তাৎক্ষণিক আইনি সুরক্ষা

হুমকিকে অবহেলা করবেন না। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জরুরি ১০৭ ও ১৪৫ ধারার পিটিশন দাখিলের জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুন।

📞 সরাসরি কল: 01712655546 💬 WhatsApp পরামর্শ