লেখক: অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম · 2026-09-10
<p>মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা বা বিশ্বের যেকোনো দেশে কর্মরত অবস্থায় পারিবারিক অশান্তির কারণে বাংলাদেশে থাকা স্বামী বা স্ত্রীকে আইনসম্মতভাবে তালাক দিতে চান? <strong>মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এবং দূতাবাস সত্যায়ন বিধিমালা অনুসারে বিদেশ থেকেই সম্পূর্ণ বৈধভাবে তালাক সম্পন্ন করা যায়।</strong> প্রবাসী আইনি পরামর্শের জন্য: <a href="/advocate-md-shah-alam" style="color:var(--gold);font-weight:bold">অ্যাডভোকেট মোঃ শাহ আলম</a> — <a href="tel:01712655546" style="color:var(--gold);font-weight:bold">📞 01712655546</a></p>
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ (Muslim Family Laws Ordinance, 1961)-এর ৭ ধারা অনুসারে কোনো নাগরিক বিদেশে অবস্থান করলেও তার বৈবাহিক সম্পর্ক বাংলাদেশের আইনের আওতাধীন:
প্রবাসী স্বামী বা স্ত্রী সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে গিয়ে নিচের নিয়মে সত্যায়ন করবেন:
যদি তালাকের পাশাপাশি দেনমোহর নিষ্পত্তি বা পারিবারিক আদালতের মামলা লড়তে হয়, তবে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অপরিহার্য:
| ধাপ | কোথায় সম্পন্ন করবেন | করণীয় |
|---|---|---|
| ধাপ ১ | বাংলাদেশ দূতাবাস (বিদেশে) | পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ডিডে প্রথম শ্রেণির কনস্যুলার অফিসারের সামনে স্বাক্ষর |
| ধাপ ২ | পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ঢাকা, বাংলাদেশ) | দূতাবাসের সিলমোহর ভেরিফাই করে কনস্যুলার শাখা কর্তৃক কাউন্টার অ্যাটেস্টেশন |
| ধাপ ৩ | জেলা প্রশাসকের কার্যালয় (ডিসি অফিস) | স্ট্যাম্প শুল্ক পরিশোধ ও স্ট্যাম্পিং সম্পন্ন করা |
তালাক কার্যকর হওয়ার মূল আইনি নিয়ম হলো নোটিশ পৌঁছানোর তারিখ থেকে ৯০ দিন অতিবাহিত হওয়া:
প্রবাসী স্বামীদের ক্ষেত্রে তালাক পাঠানোর সাথে সাথেই বকেয়া দেনমোহর (Mahr) এবং ৯০ দিনের ইদ্দতকালীন খোরপোশ ব্যাংকিং চ্যানেলে বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে প্রেরণের আইনি প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করা আবশ্যক। অন্যথায় দেশে থাকা স্ত্রী পারিবারিক আদালতে দেনমোহর ও খোরপোশের ডিক্রি নিয়ে প্রবাসে থাকা স্বামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করাতে পারেন।
বিদেশে থেকেও নিশ্চিন্তে বাংলাদেশের আইন মেনে তালাক নোটিশ ড্রাফটিং, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতি-স্বাক্ষর এবং নোটিশ জারির যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে আমাদের সুপ্রিম কোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন।